নির্বাচন কমিশনারের অনুমতি ছাড়াই সিপি বদল, শুরু বিতর্ক

তেইশে ফেব্রুয়ারি রাজ্যের তিনটি বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন। ঠিক তার আগে এডিজি আইন শৃঙ্খলা সুরজিত্ কর পুরকায়স্থকে কলকাতার পুলিস কমিশনার পদে বদলি করছে রাজ্য সরকার। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, নিয়মমাফিক এই বদলির আগে কমিশনের অনুমোদন নেয়নি রাজ্য। ফলে নিয়োগের বৈধতা নিয়ে  উঠেছে প্রশ্ন। এবিষয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হচ্ছে বাম শিবির। বৃহস্পতিবারই রঞ্জিত কুমার পচনন্দাকে সরিয়ে কলকাতার নগরপাল পদে আনা হয়েছে এডিজি আইন শৃঙ্খলা সুরজিত্ কর পুরকায়স্থকে। বৃহস্পতিবার রাতেই নগরপালের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন তিনি। অভিযোগ উঠেছে, নিয়মমাফিক হয়নি এই বদলি। 

Updated: Feb 16, 2013, 10:52 AM IST

তেইশে ফেব্রুয়ারি রাজ্যের তিনটি বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন। ঠিক তার আগে এডিজি আইন শৃঙ্খলা সুরজিত্ কর পুরকায়স্থকে কলকাতার পুলিস কমিশনার পদে বদলি করছে রাজ্য সরকার। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, নিয়মমাফিক এই বদলির আগে কমিশনের অনুমোদন নেয়নি রাজ্য। ফলে নিয়োগের বৈধতা নিয়ে  উঠেছে প্রশ্ন। এবিষয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হচ্ছে বাম শিবির। বৃহস্পতিবারই রঞ্জিত কুমার পচনন্দাকে সরিয়ে কলকাতার নগরপাল পদে আনা হয়েছে এডিজি আইন শৃঙ্খলা সুরজিত্ কর পুরকায়স্থকে। বৃহস্পতিবার রাতেই নগরপালের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন তিনি। অভিযোগ উঠেছে, নিয়মমাফিক হয়নি এই বদলি। 
তেইশে ফেব্রুয়ারি রেজিনগর, নলহাটি ও ইংরেজবাজার বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন। 
উনিশশো তিরানব্বই সালের নির্বাচনী নির্দেশিকা অনুযায়ী, নির্বাচনের দিন ঘোষণা হয়ে গেলে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা কোনও আধিকারিককে বদলি করার আগে কমিশনের অনুমোদন নিতে হবে।
কিন্তু এডিজি আইন শৃঙ্খলাকে নগরপালের পদে বদলি করার আগে কমিশনের অনুমতি নেয়নি রাজ্য। কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্যের এই সিদ্ধান্ত কমিশনের সিইওকে জানানো হয়নি। বিষয়টি নজরে আসার পর সরব হয়েছে বাম শিবির। এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ তাঁরা।
অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে ২৮ ফেব্রুয়ারি অর্থাত নির্বাচনের ফল ঘোষণা পর্যন্ত এই বদলিতে স্থগিতাদেশ দিতে পারে কমিশন।