নগরপাল বদলি: মুখ্যমন্ত্রীর ভিন্ন সুর সুব্রতর গলায়

Update: February 15, 2013 16:58 IST

নগরপাল অপসারণ বিতর্কে ভিন্ন সুর শোনা গেল মুখ্যমন্ত্রী এবং পঞ্চায়েতমন্ত্রীর কথায়। গতকালই মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, গার্ডেনরিচ কাণ্ডে ব্যবস্থা নিতে দেরি হওয়ায়, অ্যাকশন নিতে বাধ্য হয়েছেন তিনি। যদিও পঞ্চায়েতমন্ত্রীর বক্তব্য, পচনন্দার বদলির সঙ্গে অন্য কোনও সম্পর্ক নেই।

রঞ্জিত পচনন্দাকে কেন নগরপালের পদ থেকে সরানো হল, বৃহস্পতিবার সন্ধেতেই তা জানিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, "অ্যাকশন নিতে দেরি হয়েছে বলে, আমাকে এই অ্যাকশনটা নিতে হয়েছে।"

যদিও এই বিষয়ে পুরো অন্য কথা শোনা গিয়েছে পঞ্চায়েতমন্ত্রীর মুখে। তিনি বলেন, নগরপালকে অপসারণ করা হয়নি, কোনও শাস্তিও দেওয়া হয়নি। পচনন্দার অপসারণকে রুটিন বদলি হিসেবেই ব্যাখ্যা করেছেন তিনি।

কেন পঞ্চায়েতমন্ত্রী পচনন্দার অপসারণকে সাধারণ ঘটনা হিসেবেই দেখছেন? ইঙ্গিত মিলেছে রেলপ্রতিমন্ত্রী অধীর চৌধুরীর কথায়। পুলিস কমিশনার বদলি নিয়ে অধীর বাবু বলেন, "রণজিত্‍ কুমার পচনন্দা যা করতে চলেছিলেন তাতে সরকারকে বিড়ম্বনায় পড়তে হত। সেই কারণেই সরানো হল পচনন্দাকে।"

অধীর চৌধুরীর দাবি, রঞ্জিত পচনন্দা যেভাবে কড়া হাতে গার্ডেনরিচ কাণ্ডের তদন্তভার সামলাচ্ছিলেন, তাতে বন্দর এলাকায় মাফিয়ারাজের ছবি বেআব্রু হয়ে যেত। তার জেরে বিড়ম্বনায় পড়ত রাজ্য সরকার।

নগরপাল অপসারণের ঘটনায় সরকারের সিদ্ধান্তকে আগেই প্রকাশ্যে ভুল বলে মন্তব্য করেছেন রাজ্যপাল। শুক্রবার একই ভাবে সরকারের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে কংগ্রেস শিবির।

পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের নাম না করে, কংগ্রেস নেতৃত্বের অভিযোগ, বন্দর এলাকার দোর্দণ্ডপ্রতাপ তৃণমূলনেতাকে আড়াল করতেই রঞ্জিত্ পচনন্দাকে তড়িঘড়ি নগরপালের পদ থেকে সরিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। গোটা ঘটনায় রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলার ভবিষ্যত নিয়ে গভীর আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তাঁরা।

Post Your Comment

Total Comments:3

TARMUJ SUBROTO MONE HOCHHE ``COMPALSARY WAITING CHOLE JABE``

কেনই মুখ্য মন্ত্রি র সঙ্গে অন্য মন্ত্রি দের সমনয় থাকবে ? থাকার কথা নয় ।কারন জারা বরতমান সরকারের মন্ত্রি হয়েছেন তাদের মধ্যে বেশির ভাগ দল ছুত মন্ত্রি ।যেমন সুব্রত বাবু কত বার দল ছেরেছেন সেতা উনে কেন উনার বারির লোকরা পর্যন্ত বলতে পারবে না ।উনি জেই দলে গেছেন কামিয়ে সরে পরেছেন ।সেই সুজগতা দিদি নিয়েছেন। কিন্তু উনি ভবিশ্যত ভাবেন নি ।তায় এখন উনাকে প্রতি মুহুরতে জামেলা পহাতে হছে। উনি নিজে ১০ কোটি লক্কে সাসন করার আভিগ্যতা নেই তার উপর এই মন্ত্রি পরিসদ। সুতরাং হার সর্বশয়ও না হয়া পর্যন্ত আমাদের নিস্তার নেই।

মুন্না আর ইকবাল / ধরেছে রাজ্যের হাল / মাথায় আছেন ববি / হেকিম তিনি নন /জানেন দিদির লবি /পাড়ায় পাড়ায় উতসব /দিদি আঁকেন ছবি /দাড়ির কোনও কাজ নেয় /গোসায় আর নন কবি / তোলা তোলার নতুন রীতি/ করেছেন দিদি রপ্ত / লিওনার্দো, পিকাসো /সবাই দিদির ভক্ত/রাহাজানি ধর্ষণ চলছে রাজ্যে মন্দা/ দিদির অ্যাকশনে পদ দিল হতভাগা পচনন্দা/চোর ডাকাত গুন্ডা চালায় রাজ্যপাট / আমরা বাঙালি কপাল ঠুকছি...`` কাকে দিয়েছি রাজার পাঠ????``

  • swapan
  • Posted: 2/15/2013 10:19:14 PM

কি ভাল লিখেছেন ? কিন্তু আপনার নামটা গোপন রেখেছেন। কেন জন্মেছেন যখন মরতে হবে। আমি এতাকে বিশ্বাস করি।তায় আমার মন জা চায় তায় লিখি।এই ভাবে লিখে জান। তবে ভয় একটা যদি মন্ত্রিরা আপনাকে ধর্ষণ করে দেয় ।কারন এই কাজটা উনাদের বাকি আছে।

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।