কেন্দ্রীয় নীতির সমালোচনা করলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য

Update: April 22, 2012 22:15 IST

কেন্দ্রীয় সরকারের নয়া উদারনীতি দেশে সঙ্কট বাড়িয়ে তুলছে। সমাজতন্ত্রের ভবিষ্যত্‍ নিয়ে এক  আলোচনা সভায় রবিবার এই অভিযোগ করেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। রাজ্যের ক্ষমতায় পরিবর্তনের ১১ মাস পর দলকে আরও ঐক্যবদ্ধভাবে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কথা বলেন তিনি। একইসঙ্গে, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বলেন, সোভিয়েতের পতন, চিন ও ল্যাটিন আমেরিকার বর্তমান অবস্থা বিচার করে নতুন শতাব্দীর সমাজতন্ত্র সম্পর্কে কোঝিকোড় পার্টি কংগ্রেসে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
    ‍  
রবিবার, লেনিনের ১৪৩তম জন্মদিবস উপলক্ষ্যে সিপিআইএমের কলকাতা জেলা দফতরে `একবিংশ শতাব্দীর সমাজতন্ত্র` নিয়ে আলোচনার আয়োজন করা হয়। বক্তব্য রাখেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। সেই আলোচনা সভায় কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থনৈতিক নীতির কড়া সমালোচনা করেন তিনি। জনগণের সঙ্গে দলের সম্পর্ক বাড়ানো ও গণ-আন্দোলন গড়ে তোলার ওপর জোর দেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

সিপিআইএমের কোঝিকোড় পার্টি কংগ্রেসে সোভিয়েতের পতন ও চিনের সমাজতন্ত্র নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এবিষয়ে, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বলেন, রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণে চিন যে পুঁজিবাদের অনুশীলন করছে তা সারা বিশ্বের সমাজতন্ত্রের কাছেই একটা পরীক্ষা।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।