মুখ্যমন্ত্রীর দাবি উড়িয়ে দিয়ে কলকাতায় বাড়ছে অপরাধ

Update: February 3, 2013 10:23 IST

গত দুবছরে কলকাতায় পাল্লা দিয়ে বেড়েছে অপরাধ। মুখ্যমন্ত্রী যতই কলকাতার সুরক্ষা নিয়ে গর্ব করুন, কলকাতা পুলিসের তথ্য বলছে, রাজ্যের ক্ষমতা পরিবর্তনের পর মহানগরীতে অপরাধ ক্রমশ বাড়ছে। গত দুবছরে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ধর্ষণ সহ চুরি, ছিনতাই, ও সংঘর্ষের ঘটনা। পরপর অপরাধ যেভাবে বাড়ছে তাতে আতঙ্কিত সাধারণ মানুষ।    

পরিসংখ্যান বলছে, ২০১০ সালে কলকাতায় ডাকাতির ঘটনা ঘটেনি। চুরির ঘটনা ১৮টি, ছিনতাই ১৫১টি, সংঘর্ষ বা হামলার ঘটনা ২৮২টি এবং ৩২টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।

দুহাজার এগারোর মে মাস পর্যন্ত কলকাতায় ডাকাতির ঘটনা ঘটেনি। সাতটি চুরির ঘটনা ঘটেছে। ছিনতাই হয়েছে ৬২টি। সংঘর্ষের ঘটনা ১০৬টি। ধর্ষণের সংখ্যা ১৪টি।

কলকাতা পুলিসের তথ্য বলছে, জুন থেকে ২০১১ শেষ পর্যন্ত ডাকাতির ঘটনা এক। চুরি ২৭টি, ১৪৫টি ছিনতাইয়ের ঘটনা, ২৪০টি সংঘর্ষের ঘটনা এবং ৩২টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০১২ সালে অপরাধের সংখ্যা আরও বেড়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, ওই বছরে ডাকাতির সংখ্যা আটটি, চুরি ৪৪টি, ৩০৩টি ছিনতাইয়ের ঘটনা, সংঘর্ষের ঘটনা ৩৭৩টি, এবং ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ১০৯টি। 

মুখ্যমন্ত্রী বলছেন, রাজ্যের মানুষ শান্তিতে আছেন, অথচ কলকাতা পুলিসের দেওয়া অপরাধের পরিসংখ্যান মুখ্যমন্ত্রীর দাবিকে কার্যত প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।


Post Your Comment

Total Comments:2

r kotota mullyo detey hobey a rajjyey Maa Bon der. r shromik karmocharider k janey. ajja meda joto responsible hocchey news er byaperey...der bochor agey a rokom responsiblity protyashito chilo.. late is better than never..thnx. for information.

CM je vabe chok rangachchhen tate dharshan keno aunek kichh u hote chale chhe!

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।