প্রথমবার শহরে আসছেন টাটার কর্ণধার সাইরাস মিস্ত্রি

টাটা গোষ্ঠীর দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবার কলকাতায় সাইরাস মিস্ত্রি। আগামিকাল টাটা গ্লোবাল বেভারেজের বার্ষিক সাধারণ সভায় যোগ দেবেন তিনি। তার আগে, আজ টাটা সেন্টারে ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের সঙ্গে  বৈঠক সারলেন টাটা গোষ্ঠীর কর্ণধার। তবে, সাইরাস মিস্ত্রির এবারের সফরে তাঁর সঙ্গে বৈঠকের কোনও উদ্যোগই নিচ্ছে না রাজ্য সরকার।  

Updated: Jul 14, 2013, 08:52 PM IST

টাটা গোষ্ঠীর দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবার কলকাতায় সাইরাস মিস্ত্রি। আগামিকাল টাটা গ্লোবাল বেভারেজের বার্ষিক সাধারণ সভায় যোগ দেবেন তিনি। তার আগে, আজ টাটা সেন্টারে ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের সঙ্গে  বৈঠক সারলেন টাটা গোষ্ঠীর কর্ণধার। তবে, সাইরাস মিস্ত্রির এবারের সফরে তাঁর সঙ্গে বৈঠকের কোনও উদ্যোগই নিচ্ছে না রাজ্য সরকার।  
পরিবর্তনের পর রাজ্যের শিল্পের ভাঁড়াড়ে মন্দা। লগ্নি টানতে রাজ্য তো বটেই, রাজ্যের বাইরেও শিল্প সম্মেলন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু, বিনিয়োগের চিঁড়ে ভেজেনি। পয়লা অগাস্ট ফের মুম্বইয়ে শিল্পপতিদের নিয়ে সম্মেলন করতে চলেছে রাজ্য সরকার। তাতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে আম্বানি ভাই সহ বহু বিশিষ্ট শিল্পপতিদের।  বিনিয়োগ টানতে রাজ্যের বাইরে ছুটলেও, ঠিক তার পনেরোদিন আগে রাজ্যে হাজির টাটা গোষ্ঠীর কর্ণধার সাইরাস মিস্ত্রির সঙ্গে বৈঠকের কোনও উদ্যোগই নিল না সরকার।
 টাটা টি-র বার্ষিক সাধারণ সভায় যোগ দিতে রবিবারই শহরে পৌঁছন টাটা গোষ্ঠীর কর্ণধার সাইরাস মিস্ত্রি। বিকেলে টাটা সেন্টারে বৈঠক সারেন ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের সঙ্গে। সোমবার টাটা টির বার্ষিক সাধারণ সভায় যোগ দেবেন তিনি। কিন্তু, দুদিন শহরে থাকলেও, রাজ্যের তরফে তাঁর সঙ্গে আলোচনার কোনও প্রস্তাবই দেওয়া হয়নি। রতন টাটা, টাটাগোষ্ঠীর চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সময়ে কোর্টের বাইরে সিঙ্গুর সমস্যা সমাধানের ইঙ্গিত দিয়েছিল রাজ্য সরকার। সিঙ্গুরে জমি জট এই মুহুর্তে সুপ্রিম কোর্টে। ন্যানো কারখানার জন্য অধিগৃহীত অব্যবহৃত জমির বিষয়ে টাটারা কী করতে চায় তানিয়ে টাটাদের মতামত জানতে চেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।
এদিকে সোমবার তিনি যখন টাটা টির- বার্ষিক সাধারণ সভায় হাজির থাকবেন, তখন সিঙ্গুরে পঞ্চায়েত ভোট। খুব স্বাভাবিকভাবেই, এসময়ে তাঁর সঙ্গে রাজ্যের বৈঠক শুধু শিল্পায়ন নয়, সিঙ্গুরের জমি জট কাটাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারত বলেই মনে করা হচ্ছে। এসব কিছুর পরও, রাজ্যের হাজির টাটা কর্ণধারের সঙ্গে রাজ্য সরকার কেন বৈঠকের উদ্যোগ দেখাল না তানিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তবে কী রতন টাটার আমলে রাজ্য সরকার ও টাটাদের মধ্যে তৈরি হওয়া দূরত্ব সাইরাস মিস্ত্রির আমলেও বহাল?