আজ বন্ধ রাজ্যের ওষুধের দোকান

Update: January 21, 2013 12:15 IST

ওষুধ বিক্রেতাদের সমাবেশের জেরে, আজ রাজ্যের বেশিরভাগ ওষুধের দোকান বন্ধ রয়েছে।  রাজ্যে পিপিপি মডেলে জেনেরিক ওষুধের দোকান খোলার সরকারি সিদ্ধান্তের পুনর্বিবেচনা সহ ৭ দফা দাবিকে সামনে রেখে আজ ধর্মতলায় সমাবেশের ডাক দিয়েছে  বেঙ্গল কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট  অ্যাসোসিয়েশন (বিসিডিএ)। সংগঠনের আওতায়  রয়েছে রাজ্যের পঁয়তিরিশ হাজারের বেশি ওষুধের দোকান। এর মধ্যে আপত্কালীন পরিস্থিতির জন্য কিছু দোকান খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিডিএ। 

কলকাতা ও শহরতলির বিভিন্ন হাসপাতাল চত্বরে ৭০টি দোকান খোলা রেখেছে বিসিডিএ। এর মধ্যে এসএসকেএম হাসপাতালের সামনে ৬টি, এআরএসের সামনে ৩টি ও মেডিক্যাল কলেজ,  বাঙ্গুর ও আর জি কর হাসপাতাল সংলগ্ন ২টি করে দোকান খোলা রাখা হয়েছে। শহর ও শহরতলি বেশিরভাগ দোকান বন্ধ থাকায় সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ। পরিস্থিতি সামাল দিতে কন্ট্রোল রুম খুলছে বিসিডিএ। কন্ট্রোল রুমের ফোন নম্বর ২২৪২ ৮৯৪৪ এবং ২২১০ ৪৫৩৭।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।