গার্ডেনরিচ কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবি কংগ্রেসের

Update: February 15, 2013 14:20 IST

গার্ডেনরিচ কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবি জানাল প্রদেশ কংগ্রেস। আজ নিহত এসআই তাপস চৌধুরীর বাড়িতে গিয়ে এই দাবি জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দীপা দাশমুন্সি। একইসঙ্গে গোটা ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকারও তীব্র সমালোচনা করেন তিনি। প্রাক্তন নগরপাল আরকে পচনন্দাকে অপসারণ করে আসলে তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীকে আড়াল করার চেষ্টা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন দীপা দাশমুন্সি। এবিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীও তাঁর দায়িত্ব এড়াতে পারেন না বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

গার্ডেনরিচ-কাণ্ডে ফেরার কলকাতা পুরসভার পনেরো নম্বর বরো চেয়ারম্যান মহম্মদ ইকবাল ওরফে মুন্নার সঙ্গে এই মুহূর্তে তাঁর কোনও যোগাযোগ নেই। দাবি করলেন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়। পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে মুন্নাকে আড়াল করার অভিযোগ উঠলেও তা মানতে চাননি তিনি। আজ, ঠাকুরপুকুরে নিহত এস আই তাপস চৌধুরীর বাড়ি যান শোভন চট্টোপাধ্যায়।



Post Your Comment

Total Comments:1

CHAGOLER CHARTE BACHHAR JAIGAI TINTE BACHHE HOLE MAMATA BANERJEE ``CBI`` TADANTO CHAITEN, EKHUN KENO CHUP CHAP? BANGLA BANDER MOTON MAMATA BANDER SAI SOB SODYORA AAJ KOTHAI? SMT.ARPITAGHOSH,KAKSILPI- SUVAPROSSONO,SILPI JOGEN CHOUDHURY, NACHIKETA PROVITIRA.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।