তৃণমূলের ডার্টি পিকচার আর কিছু কথা

Update: January 2, 2013 20:07 IST

ভাঙড় থানার সামনে তারস্বরে গান এবং উদ্দাম নাচ। নাচে মুগ্ধ স্থানীয় তৃণমূল নেতা টাকা উড়িয়ে দিলেন নৃত্যরত মহিলাদের লক্ষ্য করে। সারা সন্ধ্যা এমনই বিচিত্রানুষ্ঠান চলল গতকাল, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা দিবসে। বিনা অনুমতিতে। ২৪ ঘণ্টায় সে ছবি সম্প্রচারের পরে তৃণমূলের শীর্ষনেতাদের হস্তক্ষেপে বন্ধ হল সেই অনুষ্ঠান। তৈরি হল নতুন বিতর্ক।


রাজ্যে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা দিবস। তাই এই বিচিত্রানুষ্ঠান। সরকারি সভা থেকে দলীয় সভা। মণীষীদের রচনাংশের উদ্ধৃতি হামেশাই শোনা যায় মুখ্যমন্ত্রীর গলায়। কিন্তু তাঁর সেই অভ্যেসের সঙ্গে তাঁর দলের প্রতিষ্ঠা দিবসের এই অনুষ্ঠান কি মিলছে...
 

 
গানের সঙ্গেই মঞ্চজুড়ে চার তরুণীর নাচ। দীর্ঘক্ষণ। তরুণীদের লক্ষ্য করে টাকাও উড়ল। টাকা ওড়ালেন উদ্যোক্তা, মানে তৃণমূল নেতারা। অনুষ্ঠানের প্রধান উদ্যোক্তা মীর তাহের আলি। তিনি তৃণমূলের জেলা পরিষদের সদস্য।
   
মঙ্গলবার সারা সন্ধেজুড়ে ভাঙড় থানার নাকের ডগায় তারস্বরে মাইক বাজিয়ে চলা এই অনুষ্ঠান অবশ্য হল প্রশাসনের কোনও অনুমতি না নিয়েই। মঙ্গলবার রাত এগারোটায় চব্বিশ ঘণ্টায় এই ছবি সম্প্রচারের পরেই মন্ত্রী মন্টুরাম পাখিরার কাছে ফোন যায় তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক মুকুল রায়ের। মন্ত্রীর ফোন পেয়ে পুলিশ গিয়ে অনুষ্ঠান বন্ধ করে।
 
অনুষ্ঠান তো বন্ধ হল। কিন্তু প্রশ্ন ওঠা যে বন্ধ হল না। দিল্লি গণধর্ষণ কাণ্ডের প্রতিবাদে দেশজুড়ে বিক্ষোভ। নারীর সম্মান রক্ষার দাবি। প্রতিবাদে সামিল তৃণমূল কংগ্রেসও। ফেসবুকে প্রতিবাদ মুখ্যমন্ত্রীর। প্রতিবাদ তাঁর কবিতায়। আর তাঁর দলেরই প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে নৃত্যরত মহিলাদের লক্ষ্য করে টাকা ছুঁড়ে দিচ্ছেন তাঁর দলেরই নেতারা। 
 





Post Your Comment

Total Comments:13

``One man army`` hole etai hoye. 2011 j uddam niye manush TMC k vote e jitiye khamota te enechilen, tate samasto manush er asha chilo, hoyeto notun kichu hobe... hain hoyeche, amader rajjer abostha aro kharap hoyeche. jani na paroborti dine ki hote choleche...

Etai ``PORIBARTAN`` .Protistha Dibas e Uddam Nrittya . Ar Briged e ``Paglu`` Etai ``PORIBARTAN``

lojja kora uchit ai sob neta der .....

what is the culture have been coming in Bengal...... aktai kotha bolte echhi kor che `chi` `chi` `chi`.......... Is it `PAGLU` culture .............

It is normal to them.I think that Shuvaprosonno,Samir, and other self appointed Buddhijibi are the good example of this culture.

It is normal to them.I think that Shuvaprosonno,Samir, and other self appointed Buddhijibi are the good example of this culture.

  • dont
  • Posted: 1/3/2013 2:55:38 PM

dont say this type of thing without collect the right information

This is not at all surprising to me, should it be really? Didn`t we know the culture of this party before?Didn`t we know the hooliganism of TMC in the Bidhan Sabha, didn`t we know the false phd degree of the CM,didnt we see the pagloo dance in TMC Sahid Dibash? Didnt we see the bike journey with Chatradhar Mahato?Then? Should we really expect anything better than that? If we expect so we are idiots.

Sasok doler original character ta fute utheche. Ek dike kakoli debi to anya dike ei jonoprotinidhi vodro lok. Er por enader theke valo kichu asakora jaina.

BANGLAR MANUSH ETAI HOYTO DEKHTE CHEYE CHILO!

ADMISSION GOING ON IN DANCINGPAINTING MODELINGMOVIE MAKING, ALL ARE INVITED TO COLLECT PROSPECTUS FROM BHANGAR. HARMADS ARE NOT ALLOWED.

Peoples are not surprised because it is the culture of ruling party in West Bengal.

I think, time has come to document and legalize a statute, duly approved through the concerned authority of Government of India, for POLITICAL ETHICS & CODE OF CONDUCT which should be applicable to all political parties / leaders. Also there should be adequate and strict penal provision for non-compliance / violation of such statute. After all the political parties / leaders are representing the common people only and hence they can not act / behave in whatever way they want. They should act / behave only for the well being of the common people. To legalise and to form such a statute a national debate should be started in this issue immediately.

Ekhon theke ki ei sob e cholbe banglay ???

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।