সুমাত্রায় ভূমিকম্প, কেঁপে উঠল কলকাতাও

Update: April 11, 2012 17:15 IST

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল কলকাতা। বুধবার দুপুর ২টো বেজে ১১ মিনিটে কম্পন অনুভূত হয়। ওই সময় উত্তর সুমাত্রার পশ্চিম উপকূল কেঁপে ওঠে ভূমিকম্পে। যার প্রভাব অনুভূত হয় কলকাতা সহ ভারতের অনেক শহরে। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৮.৯।

ভুকম্পন অনুভূত হওয়ায় কলকাতায় খালি করে দেওয়া হয় একাধিক বহুতল। আতঙ্কে বহু মানুষ রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে কলকাতার অফিসপাড়াগুলিতে। পার্ক স্ট্রিট, ক্যামাক স্ট্রিট, শেকসপীয়র সরণি, সর্বত্র অফিস থেকে রাস্তায় নেমে আসেন কর্মীরা। খালি করা হয় সল্টলেকের সেক্টর ফাইভের বিভিন্ন অফিসও। ভূমিকম্পের জেরে কয়েকটি রাস্তায় যানজট তৈরি হয়। প্রায় ৪৮ মিনিট বন্ধ ছিল মেট্রো চলাচল। তবে ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন ঘটেনি।

বিকেলের দিকে ফের মৃদু ভূমিকম্প হয় কলকাতায়। জানা গেছে, ওই সময় সুমাত্রায় বড় ধরনের আফটারশকের কারণেই বিকেলে ফের কেঁপে ওঠে কলকাতা। রিখটার স্কেলে আফটার শকের মাত্রা ছিল ৮.১। জিওলোজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার কলকাতার দফতরসূত্রে খবর, আগামী কয়েকদিনও ছোট ধরনের কম্পন হতে পারে। তবে কলকাতায় এই ভূমিকম্পের বিশেষ প্রভাব পড়বে না বলেই জানানো হয়েছে। ভারতে সুনামির আশঙ্কা নেই বলেও জানানো হয়েছে জিওলোজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার তরফে। ইতিমধ্যেই ভারতে সুনামি সতর্কতা প্রত্যাহারও করা হয়েছে।

 
 







Post Your Comment

Total Comments:3

EVEN WE FELT THE EFFECT AT OUT OFFICE AT PATULI TOWNSHIP (AUSTIN HYUNDAI)..THOUGH IT DID NOT STAYED FOR LONG TIME...NUT STILL..

Uttardinajpur

MY FE BERATE CHANNEL

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।