ফের হবে স্কুল সার্ভিস তদন্ত, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

Update: August 7, 2012 22:14 IST

স্কুল সার্ভিস কমিশনের তদন্ত রিপোর্টে খুশি না হয়ে শেষপর্যন্ত নিজেরাই তদন্ত করার সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। আজ নিউ আলিপুর কলেজে এক অনুষ্ঠানে শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, স্কুল সার্ভিস কমিশনের তরফে যে রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে সেখানেও কারও নামে নির্দিষ্টভাবে অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। আর সেই কারণেই রাজ্য সরকার আলাদাভাবে তদন্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। 

জুলাই মাসে স্কুল সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষায় প্রায় ২০ শতাংশ পরীক্ষাকেন্দ্রে সময়মতো পৌঁছয়নি প্রশ্নপত্র। ৫টি কেন্দ্রে নতুন করে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে হয় কমিশনকে। সরকারের প্রথম এতবড় একটি নিয়োগের পরীক্ষায় বিভ্রাটের ঘটনার পর অন্তর্ঘাতের অভিযোগ করেছিলেন কমিশনের চেয়ারম্যান। সরকারকে সেই বিষয়ে রিপোর্টও জমা দিতে যান তিনি। কিন্তু রিপোর্টে কারা এই কাজ করল সে বিষয়ে নির্দিষ্টভাবে কিছুই বলা ছিল না। শিক্ষামন্ত্রী সে কারণে রিপোর্ট ফেরত দিয়ে দ্বিতীয়বার রিপোর্ট জমা দিতে নির্দেশ দেন। ৩ দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন ব্রাত্য। কিন্তু সেই রিপোর্টেও কারও নাম উল্লেখ না থাকায় আলাদা ভাবে তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার।

Post Your Comment

Total Comments:4

eki poder janna ssc exam 2 bar vinno prosno potre ??? eta ki commission er rules bola ache.....jadi thake to bhalo .... nahole mone hochche ei bochor tar recruitment tao gelo.

Sobar exam abar hoke.

Will the result be out or only the result of commission? Is the EDUCATION-MINISTER educated? If yes, Why can`t he understand the matter or does not he want to understand the importance of this exam. If he go through such or any exam.Why does he interfere into an automaton body? Is he lost his sense?

Beparta bhaloi hoeche, kintu dekhte hobe kaoke jeno `bolir pantha`` na kora hai.Bhoi hai karon tar proman aamra paechi. Manonio uccha sikkha mantri daya kore janaben ki ato komison tomison kore aadou kono fal hobe to? Aamrato chasa bhuso manush, aamader asai buk bandha chara r ki ba korber ache tai na? Nomoskar.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।