মুখ্যমন্ত্রী সংস্কার ঘোষনা করেছিলেন ৭ মাস আগে, আজও মহাকরণ রয়েছে মহাকরণেই

মুখ্যমন্ত্রীর মহাকরণ সংস্কারের কথা ঘোষণার পর কেটে গিয়েছে সাত মাস। অথচ কাজই শুরু হয়নি। কবে শুরু হবে ঠিক নেই। কারণ এখনও মেলেনি হেরিটেজ কমিশনের ছাড়পত্র। সরকারি অর্থে মহাকরণ সংস্কার হলে হেরিটেজ কমিশনের অনুমতি লাগে না। তাহলে কেন চাওয়া হয়েছে কমিশনের অনুমতি ? এই প্রশ্নের উত্তরও স্পষ্ট নয়। অতএব, মহাকরণ আছে সেই মহাকরণেই।

Updated: Feb 28, 2014, 09:49 PM IST

মুখ্যমন্ত্রীর মহাকরণ সংস্কারের কথা ঘোষণার পর কেটে গিয়েছে সাত মাস। অথচ কাজই শুরু হয়নি। কবে শুরু হবে ঠিক নেই। কারণ এখনও মেলেনি হেরিটেজ কমিশনের ছাড়পত্র। সরকারি অর্থে মহাকরণ সংস্কার হলে হেরিটেজ কমিশনের অনুমতি লাগে না। তাহলে কেন চাওয়া হয়েছে কমিশনের অনুমতি ? এই প্রশ্নের উত্তরও স্পষ্ট নয়। অতএব, মহাকরণ আছে সেই মহাকরণেই।

গতবছর সাতই অগস্ট মহাকরণ সংস্কারের কথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। মহাকরণ থেকে প্রায় তিরিশটি দফতর সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় নবান্ন, নব মহাকরণ এবং বিধাননগরে। এরপরেই সংস্কারের কাজ শুরু করার কথা ছিল পূর্ত দফতরের। চার মাস আগে হেরিটেজ কমিশনের ছাড়পত্র চায় পূর্ত দফতর। কিন্তু কমিশন সবুজ সঙ্কেত না দেওয়ায় কাজ শুরুই হয়নি। সংস্কারের বিষয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ও বেসুর বিশেষজ্ঞদের পরামর্শও নেয় সরকার। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগের প্রধান মধুমিতা রায় জানিয়েছেন, এক মাসের মধ্যেই রিপোর্ট ও প্রেজেন্টেশন দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী সম্মতিও দিয়েছেন। তবে কাজ কেন শুরু হচ্ছে না তা বলতে পারছেন না।

পূর্ত দফতর সূত্রে খবর, এর আগে মহাকরণের সংস্কারে হেরিটেজ কমিশনের অনুমতি লাগেনি। একমাত্র সংস্কারে বেসরকারি অর্থসাহায্য নেওয়া হলেই অনুমতির প্রয়োজন হয়। এবারেও সরকারি অর্থে মহাকরণের সংস্কার হবে। তাহলে কেন হেরিটজ কমিশনের অনুমতি চাওয়া হল এর সদুত্তর মেলেনি। বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে বলা হয়েছে, সংস্কার শুরুর আগে মহাকরণের বিভিন্ন অংশ পরীক্ষা করতে হবে। করতে হবে স্যাম্পেল টেস্টও। কিন্তু হেরিটেজ কমিশনের অনুমতি না মেলায়, সেটুকু কাজও হয়নি।

হেরিটেজ কমিশনের চেয়ারম্যান শুভাপ্রসন্ন জানিয়েছেন, নিউটাউনে প্রকল্প নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। ছ তারিখ প্রকল্প উদ্বোধনের পর মহাকরণ সংস্কারের বিষয়ে মতামত জানাবেন।সরকারের পাঠানো প্রস্তাবে সামান্য কিছু বদল করতে পারে কমিশন।