মিনিবাসের নতুন ভাড়া মেনে নিল সংগঠনগুলি

Update: December 3, 2012 22:01 IST

আগামী বুধবার থেকে রাজ্যে নতুন মিনিবাস ভাড়া চালু হচ্ছে। রাজ্য সরকারের  ঘোষণামতো  প্রতি স্টেজে ১ টাকা করে ভাড়া বাড়ানোর শর্তেই রাজি হয়েছে মিনিবাস মালিক সংগঠনগুলি। আপাতত এই ভাড়ায় রাজি হলেও, ভাড়া পুনর্বিবেচনার দাবি থেকে সরছেন না মিনিবাস মালিকরা। সরকার ভাড়া না বাড়ালে জানুয়ারি  থেকে আন্দোলনের হুমকি দিয়েছেন তাঁরা।

বাসভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হওয়ায়, তা সংশোধন করেছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে গত ১৬ নভেম্বর প্রতি স্টেজে ১ টাকা করে ভাড়া বাড়ানোর ঘোষণা  হয়। কিন্তু মিনিবাস সংগঠন তা মানতে চায়নি। সংগঠনের দাবি ছিল, প্রথমবারের ঘোষণা মতোই বর্ধিত ভাড়া নেওয়া হোক। সেইমতো যাত্রীদের কাছ থেকে পুরনো হারেই ভাড়া সংগ্রহ করা হচ্ছিল। সোমবার সেই অবস্থান থেকে সরে এল মিনিবাস সংগঠন। তাঁরা জানিয়েছে, ৫ ডিসেম্বর থেকে সরকারের নির্দেশ মেনেই বর্ধিত বাসভাড়া নেওয়া হবে।
 
ভাড়া বৃদ্ধির জন্য সরকারকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়েছে মিনিবাস সংগঠন। ডিসেম্বর মাসটা দেখে নিয়ে জানুয়ারি থেকে ফের আন্দোলনে যাওয়ার কথা জানিয়েছে তাঁরা। সংগঠনের অভিযোগ, কর্পোরেট হাউসকে সুবিধা করে দিতে মিনিবাস পরিষেবা তুলে দিতে চাইছে সরকার। সেকারণে জেলার মিনিবাস সংগঠনগুলির কাছে সংশোধিত ভাড়ার তালিকা পাঠানো হচ্ছে না। 


Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।