আরজিকরে আগুন, কপাল জোরে রক্ষা পেলেন রোগীরা

আগুন লাগার পর কার্যত কপাল জোরে রক্ষা পেলেন আর জি কর হাসপাতালের এমারজেন্সি বিভাগের রোগীরা। আজ দুপুর সাড়ে বারোটা নাগাদ হঠাত্‍ই আগুন লাগে হাসাপাতালের এমারজেন্সি বিল্ডিংয়ের তিন তলায়। ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। তখনই তড়িঘড়ি নিরাপত্তার কারণে বন্ধ করে দেওয়া হয় লিফট। আটকে পড়েন চিকিত্‍সক এবং রোগীরা। ওই বিল্ডিং-এর সিঁড়ি দিয়ে বেরনোর রাস্তায় কলাপসিবল গেটেও তালা দেওয়া ছিল। বারংবার অনুরোধেও সেই তালা খোলা হয়নি বলে অভিযোগ রোগীদের। পরে তালা ভেঙে নীচে নেমে কোনওক্রমে নিজেদের রক্ষা করেন রোগীরা।

Updated: Feb 22, 2013, 03:23 PM IST

আগুন লাগার পর কার্যত কপাল জোরে রক্ষা পেলেন আর জি কর হাসপাতালের এমারজেন্সি বিভাগের রোগীরা। আজ দুপুর সাড়ে বারোটা নাগাদ হঠাত্‍ই আগুন লাগে হাসাপাতালের এমারজেন্সি বিল্ডিংয়ের তিন তলায়। ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। তখনই তড়িঘড়ি নিরাপত্তার কারণে বন্ধ করে দেওয়া হয় লিফট। আটকে পড়েন চিকিত্‍সক এবং রোগীরা। ওই বিল্ডিং-এর সিঁড়ি দিয়ে বেরনোর রাস্তায় কলাপসিবল গেটেও তালা দেওয়া ছিল। বারংবার অনুরোধেও সেই তালা খোলা হয়নি বলে অভিযোগ রোগীদের। পরে তালা ভেঙে নীচে নেমে কোনওক্রমে নিজেদের রক্ষা করেন রোগীরা।
অভিযোগ, খবর দেওয়ার প্রায় আধঘণ্টা পর ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের দুটি ইঞ্জিন। ততক্ষণে হাসপাতালের কর্মী এবং রোগীর আত্মীয়রা আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগান এবং আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এনে ফেলেন।  এমারজেন্সি বিল্ডিংয়ের তিনতলার প্যাথোলজিক্যাল ল্যাবের এসি থেকে আগুন লাগে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।