কিশোরীকে ইভটিজিং, প্রতিবাদ করায় গুলি বরানগরে

Update: February 9, 2013 20:25 IST

বারাসতের পর এবার বরানগর। প্রতিবেশী  কিশোরীকে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় এক যুবককে গুলি করল দুষ্কৃতীরা। আজ দিনেদুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে বরানগরের জনবহুল আরসিআই বাজার এলাকায়। গুলি করার পরই সাইকেল চেপে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা।
 
প্রতিবেশী যুবকের সঙ্গে স্কুল থেকে বাড়ি ফিরছিল ওই কিশোরী। জনবহুল আরসিআই বাজারে পৌঁছতেই নবম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে লক্ষ্য করে অশালীন মন্তব্য করে কয়েকজন যুবক। সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবাদ করেন মঙ্গল সাহানি নামে ওই যুবক। তখনই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। মঙ্গল সাহানির বাঁ হাতে গুলি লাগে।
 
রাজ্যে বেড়েই চলেছে ধর্ষণ, শ্লীলতাহানি এবং ইভটিজিংয়ের ঘটনা। একাধিক ক্ষেত্রে প্রতিবাদীদের ওপর সশস্ত্র হামলা চালিয়েছে দুষ্কৃতীরা। প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তায় বাড়ছে অপরাধীদের সাহস, মন্তব্য অভিনেতা কৌশিক সেনের। প্রকাশ্যে গুলি চালানোর পরই সাইকেলে চেপে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। মঙ্গল সাহানিকে আরজি কর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।  আপাতত তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন চিকিত্সকরা।
 

Post Your Comment

Total Comments:2

Khub kharap ghotona....din din ai gulo alokito hoche...jubo somaj k jagte hobe..

didi akhon utsab nie basto.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।