শঙ্কর থেকে সুদীপ্ত, কেরামতির চিটফান্ডে রাঁধুনিও অধিকর্তা!

বাড়ির রাঁধুনিকে করে দিয়েছেন চিট ফান্ড সংস্থার অধিকর্তা। এমনই ভেল্কি জানতেন শঙ্কর সেন। না, সুদীপ্ত নয়, এই শঙ্কর নামেই পরিচিত ছিল এন্টালির হাজরা বাগানের এক যুবক। বর্তমানে যার পরিচয় সুদীপ্ত সেন।

Updated: Apr 24, 2013, 09:35 AM IST

বাড়ির রাঁধুনিকে করে দিয়েছেন চিট ফান্ড সংস্থার অধিকর্তা। এমনই ভেল্কি জানতেন শঙ্কর সেন। না, সুদীপ্ত নয়, এই শঙ্কর নামেই পরিচিত ছিল এন্টালির হাজরা বাগানের এক যুবক। বর্তমানে যার পরিচয় সুদীপ্ত সেন।
এন্টালির হাজরাবাগানের এই বাড়িতেই ভাড়া থাকতেন শঙ্কর সেন ও তাঁর পরিবারের অন্যান্যরা। এখন উঠে যাওয়া যোগেশচন্দ্র বিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষ করেই রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েছিল শঙ্কর। সেই শঙ্করই যে আজকের সুদীপ্ত সেন, ছবি দেখার পর তা বুঝতে পেরেছেন প্রতিবেশিরা।
 
সেই সময় নকশাল আন্দোলনে জড়িয়ে শঙ্কর সেন নাকি একবছর জেলও খেটেছিল। মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে শঙ্কর সেনের এই সুদীপ্ত সেন হয়ে ওঠার পথ যে খুব একটা মসৃণ ছিল না তা প্রথম থেকেই বোঝা গিয়েছিল।
  
পোষা গুণ্ডা ভয় দেখিয়ে জোর করে কম দামে জমি কিনে বিক্রি করা থেকে শুরু। আশির দশকে বেশ কয়েকজন কংগ্রেস নেতার স্নেহধন্য হয়ে পড়ে শঙ্কর। বাম আমলে জমির ও ফ্ল্যাটের অবৈধ ব্যবসা করার সময় সংযোগ হয় কয়েকজন পুলিস অফিসারের সঙ্গে। নয়া সরকার আসার আগে থেকেই পুরনো সংযোগ ফের চালু করে বিরোধীদের ঘনিষ্ঠ হন শঙ্কর। সেই সময় অবশ্য বদলে গিয়েছে নাম। তারপরেই রাজ্যে পরিবর্তন। রাজনীতির রথে ভর দিয়ে রাজ্যে আর্থিক কেলেঙ্কারির ঝড় তুলে দেওয়া।