গণশক্তির জন্য অর্থসংগ্রহ

Update: August 1, 2012 11:43 IST

সিপিআইএমের মুখপত্র গণশক্তির জন্য তহবিল সংগ্রহে আজ কলকাতায় পথে নামছেন দলের রাজ্য সম্পাদক তথা পলিটব্যুরো সদস্য বিমান বসু। সিপিআইএমের অভিযোগ, রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে রাজ্য সরকার গণশক্তি পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। এ ক্ষেত্রে সরকারি নিয়ম-নীতিরও তোয়াক্কা করা হচ্ছে না।

রাজ্যের বহু জায়গায় শাসক দলের তরফে গণশক্তি বিক্রি করতেও বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে অর্থসংকটের মুখে পড়ছে সিপিআইএমের দৈনিক মুখপত্র। সেই কারণেই তহবিল সংগ্রহে আজ পথে নামছেন সিপিআইএম নেতারা।

Post Your Comment

Total Comments:4

ata akta soirotrantik sorkar kono songbadpotror mukh bondho rakha jay na ai govermemt er ai rokom acharon k ami dhikkar janai..........

Ganshakti will alive by party supporters. No need to others help.

British govt.(before 1947) and present govt there is no difference, except 1757 and 2011.

o sob 1 torpa Potrika bomdha korai valo................

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।