কলকাতার বই উৎসব আবর্জনাময়

Update: February 3, 2013 09:48 IST

যেখানে সেখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা জলের প্যাকেট, খাওয়ার থালা, কাগজ। কলকাতা বইমেলা চত্বর এখন জমজমাট এই ছবিতেই। ডাস্টবিনগুলি অপেক্ষা করলেও তারা একপ্রকার অকেজো। বইমেলা তাই এককথায় আবর্জনাময়।

এই শহর আপনার। একে পরিস্কার রাখার দায়িত্ব সকলের। কলকাতা শহরের ইতিউতি ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বিজ্ঞাপনের ভাষাই এক মূহুর্তে পাল্টে যায় বইমেলা প্রাঙ্গণে এলে। বইমেলা প্রাঙ্গনে যে ডাস্টবিনগুলি রাখা আছে, সেগুলি কেউ ব্যবহার করছেন না।

রাজ্য সরকারের জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি বিপণনের সৌজন্যে বইমেলায় ঘুরতে এসে জলের প্যাকেট পাচ্ছেন সকলেই। কিন্তু জল খেয়ে তা সঠিক জায়গায় ফেলার কথা মনে থাকছে না কারোরই। পড়ে থাকছে খাওয়ার থালা, প্যাকেটও। ভুল করলেও, ছোট্ট একটা সরি বলেই কাজ সারছেন অনেকে।

মেলায় সাফাই কর্মীদের দেখা মিললেও তাঁদেরও বাঁধা রয়েছে ডিউটি আওয়ার্স। তাই একবার মেলার মাঠ পরিস্কার হয়ে গেলে আবার পরিস্কার করাটাও তাঁদের কাছে ঝক্কিরই সামিল।

Post Your Comment

Total Comments:1

poribeshbidra ki bolen?

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।