গার্ডেনরিচ কাণ্ড: প্রতিক্রিয়ায় রাজনৈতিক মহল

Update: February 12, 2013 17:47 IST

রাজ্যে শিক্ষাক্ষেত্রে নৈরাজ্যের যাবতীয় নজির ছাপিয়ে গেল গার্ডেনরিচে কলেজের ঘটনা। প্রকাশ্যে দুষ্কৃতীদের গুলিতে নিহত হলেন পুলিসের এক সাব ইনেস্পেক্টর। হরিমোহন ঘোষ কলেজে টিএমসিপি এবং ছাত্রপরিষদের সংঘর্ষের জেরে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। কলেজের সংসদ দখলের লড়াইয়ের রক্তাক্ত পরিণতির পরই চাপান উতোর শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। ঘটনার দায় কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠনের ওপর চাপাতে চাইছেন রাজ্যের শাসক দলের নেতা মন্ত্রীরা। এলাকার কংগ্রেস আশ্রিত কুখ্যাত সমাজবিরোধীর নাম করে অভিযোগ তুলেছেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। যদিও তা উড়িয়ে উল্টে তৃণমূলকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি প্রদীপ ভট্টাচার্য।

এক নজরে দেখে নেব কে কী বলেছেন:

রাজ্যপাল: কলেজ ক্যাম্পাসে অশান্তি বন্ধ করতে হলে ছাত্রদের রাজনীতি করা বন্ধ করতে হবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে এটাই একমাত্র উপায়।

প্রদীপ ভট্টাচার্য: গার্ডেনরিচে দুষ্কৃতীদের গুলিতে এসআইয়ের মৃত্যু দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। রাজ্য সরকার পুলিসেক দিয়ে নিরপেক্ষভাবে যে কাজ করাতে পারছে না এঘটনা তারই প্রমাণ। কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপের প্রয়োজন রয়েছে।

মহম্মদ সেলিম: যেন-তেন-প্রকারেণ কলেজের ছাত্র সংসদ দখল করার জন্য বিধায়ক, মন্ত্রী, কাউন্সিলরদের জড়ো করছে তৃণমূল কংগ্রেস। গার্ডেনরিচে যা ঘটেছে তা এসবেরই স্বাভাবিক পরিণতি। আজকের ঘটনা সম্পর্কে পুলিসের ডিসি যা বলছেন, তার বিরোধিতা করে অন্য কথা বলছেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। এফআইআর, মামলা এবং পুলিসি তদন্তকে প্রভাবিত করতে পরিকল্পিতভাবে সিপিআইএমের ওপর দোষ চাপাচ্ছেন মন্ত্রী।

শাকিল আহমেদ: গার্ডেনরিচের ঘটনায় প্রমাণিত রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। মনোনয়ন পেশে বাধা দেওয়া গণতন্ত্রের পরিপন্থী। সব ক্ষেত্রে নিরপেক্ষভাবে কাজ করছে না পুলিস। রাজ্য সরকারের উচিত অবিলম্বে এঘটনায় দোষীদের গ্রেফতার করে শাস্তি দেওয়া।

সূর্যকান্ত মিশ্র: পাহাড় থেকে জঙ্গল, রাজ্য সর্বত্র অশান্তি বাড়ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ক্রমশ উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে... পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য রাজ্য সরকারের উচিত সর্বদল বৈঠক ডাকা।

অধীর চৌধুরীর: রাজ্যে নৈরাজ্যের শাসন চলছে। শিক্ষার অগ্রগতি নেই। শিক্ষার অঙ্গনে হিংসার অগ্রগতি চলছে। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হোক।

দীপা দাশমুন্সি: গার্ডেনরিচের ঘটনা রাজ্যের কাছে বিপদ সঙ্কেত। রাজ্যে শিক্ষায় যে দলতন্ত্র এবং নৈরাজ্যের পরিবেশ তৈরি হয়েছে, এ ঘটনা তারই প্রমাণ।






Post Your Comment

Total Comments:19

GARDEN RICH . জাহাজ ঘাটা, বায়ু বন্দরে রেল কোলোনীতে পৃথিবীর দেশে দেশে ধনীরা বাগানে ধন তৈরি করে। সেই ফুল ভয়ানক ভালো। বারুদ-নাগ্নতা ডলার কি নেই তাতে? হিংসা-অহিংসা সেথা মিলে মিশে একাকার।দেশ প্রেমিকের খনি ভাণ্ডার।

Ministers need to say neutral speech!!!!!!!

ar theke age valo chilo...jakhon singur e 14 jon manus mara giyechilo police er gulite....ar akhon police mara jachhe manusher gulite..

sab thik hai

Rajnitike kalankito kar ei chestai anekei samil. Rajniti khub kharap setai praman karar chesta rajjapaler.Oner uchit chilo kara bhasaye sarkarer samalochona kara, ta na kare uni chatrader rajniti na karar katha balchel.Sei jannye ei bitarka utha darkar je Rajjapal pad theker kono proyojaniota ache ki na?

JEDOLER NETRI PULISKE CHABKANOR KATHA BOLE,SANGBADIKDER EK THAPPOR MARBO, PRODHANMONTRI ``MARBO NAKI`` BOLAI TO ONER CADARDER UNKANI DICHHIN.AI HOTYER JONYO JOTRIPRIYO MALLICK/SUVENDU ADHIKARIR USKANI MULOK BOKTITA INDHON JUGIACHE.

ব্যোম তারা । মা বাংলা কে বাঁচা । এ কাকে দিয়েছি রাজার পাঠ। বাংলা তো শ্মশান হয়ে গেলো। মহা শ্মশান। আর ক্ষেপী মা তাতে রক্ত খেয়ে গান গেয়ে বেরাচ্ছেন । নিজে পাগলীর মত হাসছেন আর বলছেন বাংলা হাসছে...জয় তারা মা বাংলা কে বাঁচা...।

দাড়ি আর তার দলবলের পিছনে কষে লাথি মারার কেউ নেই??

IS IT THE ULTIMATE RESULT OF SO CALLED ``PARIBARTAN`` WHERE ARE THOSE MOMBATIWALAS TODAY? WHY ARE THEY SILENT NOW? ARE THERE SHORTAGE OF CANDLES ? OR THEY HAVE LOST THEIR DEMOCRATIC CONSCIOUSNESS BEING WELL FED BY T.M.C. FIE! SHAME! SHAME!

Amar mone hoi school,college theke ei nongra politics ke chirotare biday janano uchit, ar ei kajti chatro samaj karte parle samajero upoker hobe.

J dol Arabul,Shankudebder madat jogay tader kach theke atai prattashito.lajjay matha nato hoye jachhe.a kon samaje bosobash korchi?obilombe Bobby Hakimer khoma chaoa uchit Mediar kache mithhe bibriti debar jonno,nahole arokom niriho pran koto jabe k jane.

Mukhomontri Kach6e Pithe o Puli... R Police o Manush Kach6e Bom o Guli...

  • lucifer
  • Posted: 2/13/2013 1:05:01 PM

ek thappar debo..ashobhyogulo....

  • somoy
  • Posted: 2/12/2013 10:38:32 PM

Well Said.

Ami dujoner coment sunlam firhad @ prodip,babur, amar proshno firhad bollen mukhtar guli koreche prodip bollen o chilo na.je guli koreche take ekhon amra jani. se ke? Janwar ke Prodip na Hakim?lightpost e bendhe kake patano uchit?

ETA EKTA ``SANTRAS UTSAB`` TAI NA.

ar theke age valo chilo...jakhon singur e 14 jon manus mara giyechilo...ar akhon police mara jachhe..

এই রকম ভাবেই কি সোনার বাংলা হবে ?

Sobai chup thako,o,o,o,o,o........ Susason cholchhe................... poribortoner buddhi bechnewalara nake sorser tel diye ghumochche.

Sobai chup thako,o,o,o,o,o........ Susason cholchhe................... poribortoner buddhi bechnewalara nake sorser tel diye ghumochche.

Ata ki hochhe kolkata te....ato santo jara cachel krte chai tader city te amn...arak hole to next 10 year a kolkata city Mafiya city te porinito hobe....

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।