আবাসন বিতর্ক নিয়ে মুখ খুললেন গৌতম দেব

Update: July 6, 2012 22:50 IST

আবাসন বিতর্কে মুখ খুললেন প্রাক্তন আবাসন মন্ত্রী গৌতম দেব। ফ্ল্যাট বিক্রি বিতর্কে সবরকম অভিযোগ অস্বীকার করলেন তিনি। পিএসি ও ক্যাগ ফ্ল্যাট বিক্রিতে কোনও অসঙ্গতি পায়নি বলেই তিনি জানান। এই সংক্রান্ত বিল নিয়ে বিধানসভায় বিরোধীদের উপস্থিতিতে আলোচনা হয়েছে। আলোচিত হয় স্ট্যান্ডিং কমিটিতেও। পাশপাশি বামফ্রন্টের আগের মন্ত্রিসভার সব সদস্য যে কোনওরকম তদন্তের জন্য প্রস্তুত বলেও জানিয়েছেন প্রাক্তন আবাসন মন্ত্রী।

সরকারি ফ্ল্যাটের রক্ষণাবেক্ষণ সম্ভব হচ্ছিল না। সে কারণেই ১৬ হাজার ফ্ল্যাট বিক্রির ভাবনাচিন্তা শুরু। যুক্তফ্রন্ট সরকারের আমলে এবিষয়ে প্রথম কথা হয়। বিষয়টি আলোচনায় ছিল সিদ্ধার্থ রায় সরকারের আমলেও। শেষে বামফ্রন্ট সরকারের জমানায় এবিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বিধানসভায় বাজেট পেশ করা হয়। বিরোধীদের উপস্থিতিতে আলোচনার পর সরকারি এমআইজি, এলআইজি ফ্ল্যাট লিজের ভিত্তিতে বিক্রির সিদ্ধান্ত হয়। এর অর্থ ওই ফ্ল্যাট যিনি কিনবেন তাঁকেই থাকতে হবে। অন্য কাউকে বিক্রি করতে বা ভাড়া দিতে পারবেন না ক্রেতা। কাশীপুর হাউজিং এস্টেট, মানিকতলা , পাম অ্যাভিনিউ, কড়েয়া আবাসনের ফ্ল্যাট বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি সরকারি ফ্ল্যাট বিক্রির ওপর সিলমোহর দিয়েছিল। অসঙ্গতি পায়নি ক্যাগও। আলোচনা হয় স্ট্যান্ডিং কমিটিতেও। কোনও রিপোর্টেই আপত্তি ওঠেনি বলেই জানান গৌতম দেব।  

ফ্ল্যাট বিক্রি সংক্রান্ত যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকারের পাশপাশি যে কোনওরকম তদন্তের জন্যও বামেরা প্রস্তুত বলেই জানিয়েছেন গৌতম দেব।

এই ইস্যুতে বৃহস্পতিবারই বিধানসভা থেকে প্রতিবাদ জানিয়ে ওয়াকআউট করেছিলেন বাম বিধায়করা। সরব হয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা সূর্যকান্ত মিশ্রও।

Post Your Comment

Total Comments:1

সরকার এখন দ্রব্য মুল্য, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, ট্যাক্সি ধর্মঘট নানান বিষয়ে বেকায়দায় পড়ে আছে। এখন একটা বিষয় করতে পারলেই মনের শান্তি, যেনতেন প্রকারেন CPI(M) কে হেনস্তা করতে হবে, জ্যোতির্ময় মল্লিকের কথাতেই এটা স্পষ্ট । যেভাবে পার্টির নেতা মন্ত্রিদের ফাসানোর চেষ্টা চলছে তাতে এই সরকারের মনোভাব স্পষ্ট। এই সরকার কোন সমস্যার গঠনমূলক সমাধান করতে পারেনি পারবেওনা, বিরোধী দল মানেনা, শরিকের সঙ্গে সর্বদা বিবাদে লিপ্ত, এই সরকারে কোন দিশা নেই, কুৎসা করে ক্ষমতায় এসেছে সুতরাং কুতসা নিয়েই তাকে চলে যেতে হবে।

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।