একুশে জুলাইয়ের পাল্টা সভার ডাক গৌতম দেবের

একুশে জুলাইয়ের তৃণমূলের সমাবেশের পাল্টা সভার ডাক দিল সিপিআইএম। শুক্রবার এক সমাবেশে সিপিআইএম নেতা তথা প্রাক্তন মন্ত্রী গৌতম দেব সভার ডাক দেন। ১লা অক্টোবর ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে ওই পালটা সভার ডাক দেওয়া হয়েছে। যদিও সভার অনুমতি নিয়ে প্রশাসনের বিরুদ্ধে দ্বিচারিতার অভিযোগ এনেছেন গৌতম দেব। এমন কী প্রয়োজনে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার হুমকি দিয়েছেন তিনি।

Updated: Aug 17, 2012, 09:22 PM IST

একুশে জুলাইয়ের তৃণমূলের সমাবেশের পাল্টা সভার ডাক দিল সিপিআইএম। শুক্রবার এক সমাবেশে সিপিআইএম নেতা তথা প্রাক্তন মন্ত্রী গৌতম দেব সভার ডাক দেন। ১লা অক্টোবর ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে ওই পালটা সভার ডাক দেওয়া হয়েছে। যদিও সভার অনুমতি নিয়ে প্রশাসনের বিরুদ্ধে দ্বিচারিতার অভিযোগ এনেছেন গৌতম দেব। এমন কী প্রয়োজনে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার হুমকি দিয়েছেন তিনি।
একুশে জুলাই যেখানে সভা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ঠিক একই জায়গায় এবার পাল্টা সমাবেশ করে কলকাতা ভরিয়ে দেওয়ার চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন গৌতম দেব। উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা বামফ্রন্টের উদ্যোগে এই সমাবেশ হবে পয়লা অক্টোবর। শুক্রবার শ্যামবাজারে কলকাতা জেলা এসএফআই-এর এক অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে গৌতম দেব দাবি করেন, শুধুমাত্র উত্তর ২৪ পরগণার মানুষ এনেই ভরিয়ে দেবেন কলকাতা।  গৌতম বাবু এদিনের বক্তব্যে বলেন, "একুশে জুলাই তৃণমূল গোটা রাজ্য থেকে লোক এনে সমাবেশ ভরিয়েছে। পয়লা অক্টোবর শুধু একটা জেলা থেকে লোক এনে ভরিয়ে দেব"।
ঘটনার সূত্রপাত গতকাল। আগামী পয়লা অক্টোবর ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে দ্রব্যমূল্যবৃদ্ধি সহ একাধিক ইস্যুতে উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা সিপিআইএমের তরফে একটি সভা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার সেই সভার অনুমতির জন্য লালবাজারে আবেদন করতে গেলে, আবেদন পত্র নিতে অস্বীকার করে পুলিস। এরপরেই মহাকরণে গিয়ে গোটা ঘটনাই স্বরাষ্ট্রসচিবকে জানান সিপিআইএম নেতা অমিতাভ নন্দী এবং নেপালদেব ভট্টাচার্য। স্বরাষ্ট্রসচিব বাসুদেব বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁদের লালবাজারে গিয়ে যুগ্ম কমিশনারের কাছে ফের আবেদনপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন।
স্বরাষ্ট্র সচিবের নির্দেশ অনুযায়ী মহাকরণ থেকে লালবাজারে জয়েন্ট সিপি হেড কোয়ার্টার জাভেদ শামিমের সঙ্গে দেখা করেন দুই সিপিআইএম নেতা। জাভেদ শামিম তাদের জানিয়ে দেন সভা করার অনুমতি দেওয়ার এক্তিয়ার নেই তাঁর। আবেদনের জন্য জাভেদ শামিম ফের পুলিস কমিশনারের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেন দুই নেতাকে। পুলিস কমিশনার এদিন লালবাজারে না থাকায় শুক্রবার তার কাছে আবেদন পত্র জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিপিআইএম নেতৃত্ব। প্রশাসনের এই ভূমিকায় তৈরি হয়েছে বিতর্ক। সিপিআইএম নেতৃত্বের অভিযোগ, রাজ্য সরকারের নির্দেশেই এই ধরনের পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্ত নিচ্ছে কলকাতা পুলিস।