দুর্ঘটনায় জখম গৌর ক্ষ্যাপার অর্থের অভাবে চিকিত্‍সা নিয়ে সংশয়

Update: January 24, 2013 20:41 IST

চিকিত্‍সার খরচ নিয়ে সমস্যায় গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়া বাংলার প্রসিদ্ধ বাউল গৌর ক্ষ্যাপার পরিবার। গত মঙ্গলবার রাতে বোলপুরের জয়দেব মেলা থেকে ফেরার পথে দুর্ঘটনার কবলে পড়েন গৌরা ক্ষ্যাপা। দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম বাংলার প্রসিদ্ধ এই বাউল এখন এসএসকেএম হাসপাতালের ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে ভর্তি রয়েছেন। কিন্তু চিকিতসার জন্য প্রচুর অর্থের প্রয়োজন। কিন্তু সামর্থ্য নেই তাঁর পরিবারের। আপাতত চিকিত্‍সার খরচ জোগানোর দুঃশ্চিন্তাতেই রাত কাটছে গৌর ক্ষ্যাপার পরিবারের। কোনও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা যদি সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেন সেই আশাতেই রয়েছেন তাঁরা।

প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার রাতে বোলপুরের জয়দেব মেলা থেকে ফিরছিলেন গৌর ক্ষাপা। ফেরার পথে ইলামবাজারের কাছে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি গাছে ধাক্কা মারে তাঁর গাড়ি। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় গাড়ির চালক বিশ্বনাথ ও অপর এক যাত্রীর।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।