মন্ত্রী, আমলাদের রাজভবনে জরুরি তলব উদ্বিগ্ন রাজ্যপালের

Update: February 15, 2013 19:41 IST

এর আগেও ভাঙড়কাণ্ডের সময় রাজ্যের অবস্থার সঙ্গে গুন্ডারাজের তুলনা করে একইভাবে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলেন রাজ্যপাল। সেবার শিল্পমন্ত্রীকে ছুটে যেতে হয়েছিল রাজভবনে বিরোধ মেটাতে। আর শুক্রবারও সেই একই ছবির পুনরাবৃত্তি হল। পুলিস কমিশনারের বদলিতে তাঁর অসন্তোষ বৃহস্পতিবারই স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন রাজ্যপাল। আর শুক্রবার রাজ্য পুলিসের ডিজি এবং রাজ্যের মুখ্যসচিবকে তলব করে সেই বিষয়ে প্রায় একঘণ্টা বৈঠক করেন রাজ্যপাল। রাজ্যের শিল্পমন্ত্রীও এদিন সকালে যান রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে। যদিও সকলের ব্যাখা শুনে রাজ্যপাল কতটা সন্তুষ্ট তা পরিস্কার নয়।

পুলিস কমিশনারকে সরানোর সিদ্ধান্তে তিনি যে মোটেই খুশি নন, বৃহস্পতিবার রাজ্যপালের মন্তব্যেই তা স্পষ্ট হয়ে যায়। শুক্রবার দুপুরেই তাই ফের একবার আসরে নামলেন শিল্পমন্ত্রী। বেলা বারোটা নাগাদ রাজভবনে যান তিনি। মনে করা হচ্ছে, কমিশনারকে সরানোর পিছনে সরকারের যুক্তি রাজ্যপালকে বোঝাতে গিয়েছিলেন তিনি। রাজ্যপালের কাছে যাওয়ার কথা প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে শিল্পমন্ত্রীর দাবি, বিধানসভার অধিবেশন নিয়ে কথা বলতে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বিষয়টি যদি এতটাই সহজ হয় তাহলে প্রথমে তা আড়াল করার চেষ্টা কেন?

শুক্রবারই বিকেল চারটে নাগাদ রাজ্যপালের তলবে রাজভবনে হাজির হন রাজ্য পুলিসের ডিজি নপরাজিত মুখোপাধ্যায় এবং মুখ্যসচিব সঞ্জয় মিত্র। প্রায় এক ঘণ্টা দুজনের সঙ্গে বৈঠক করেন রাজ্যপাল। জানা যাচ্ছে, গার্ডেনরিচের ঘটনা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য জানতে চান এম কে নারায়নণ। শুধু তাই নয়, পুলিস কমিশনারের বদলি প্রসঙ্গ নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে অনুমান। যদিও প্রশাসনিক স্তরে দাবি, এই বৈঠক পূর্বনির্ধারিতই ছিল। প্রথমে সরকারের মন্ত্রী। তারপর সরকারি আমলা। দফায় দফায় সব পক্ষের ব্যাখায় রাজ্যপাল মত কি বদলালো? নাকি আরও বড় বিরোধের পরিবেশ তৈরি হল?

Post Your Comment

Total Comments:1

NANDYGRAMer GHATONER SOMAI GOPAL GANDHI JE BIBRITI DIYE CHILEN ABONG TA NIYE SEDINER MOMBATIWALLA SUSIL SAMAJ GORJE UTHECHILEN, SAISOB SUSIL SAMAJER SADOSYORA AAJ KOTHAI? TAKHUN JODI PROTIBAD KORE CHILEN TO EKHUN CHUP KENO? BIBEKKEKI MASIK VATAR(ALLOWANCE) BINIMOY MAMATAR KACHE BADHA REKHEN? KAU KAU APOSSO BADHA CHARIA NIYECHEN.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।