ধর্মঘট বানচাল করতে মাইনে কাটার হুমকি

সরকারি কর্মীদের বেতন কাটা ও কর্মজীবনে ছেদের হুঁশিয়ারি। ব্যবসায়ীদের হুমকি। পরিবহণ সংগঠনগুলিকে টোপ। এগারোটি ট্রেড ইউনিয়নের ডাকা ২০ ও ২১ ফেব্রুয়ারির ধর্মঘট ব্যর্থ করতে ছল-বল-কৌশল, কোনও উপায়ই বাদ রাখছে না রাজ্য সরকার।

Updated: Feb 19, 2013, 07:25 PM IST

সরকারি কর্মীদের বেতন কাটা ও কর্মজীবনে ছেদের হুঁশিয়ারি। ব্যবসায়ীদের হুমকি। পরিবহণ সংগঠনগুলিকে টোপ। এগারোটি ট্রেড ইউনিয়নের ডাকা ২০ ও ২১ ফেব্রুয়ারির ধর্মঘট ব্যর্থ করতে ছল-বল-কৌশল, কোনও উপায়ই বাদ রাখছে না রাজ্য সরকার।  এগারোটি ট্রেড ইউনিয়নের ডাকা ধর্মঘট ব্যর্থ করতে যুদ্ধং দেহী মনোভাবে রাজ্য সরকার। 
সোমবারই নিরাপত্তার আশ্বাস দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু মঙ্গলবারই তা বদলে গেল হুমকিতে। মহাকরণে মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে টাস্ক ফোর্সের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হল, ধর্মঘটের দিন দোকান না খুললে ব্যবসায়ীদের ট্রেড লাইসেন্স বাতিল করা হতে পারে। সেই সিদ্ধান্তের কথা যে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলিকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ধর্মঘট ঠেকাতে বেসরকারি পরিবহণ মালিকদের নিরাপত্তার আশ্বাসের পাশাপাশি বিমার টাকা পাইয়ে দেওয়ার টোপও দেওয়া হয়েছে। একই টোপ দেওয়া হল লাক্সারি ট্যাক্সি সংগঠনকেও।  তবে এত আশ্বাসের পরেও, বাস-মিনিবাস মালিকরা কিন্তু ধর্মঘটের দিন বাস চালানোর নিশ্চয়তা দেননি।
ধর্মঘটের দিন রাজ্য সরকারি কর্মচারিদের কোনও ছুটি মঞ্জুর করা হবে না বলে আগেই নির্দেশিকা জারি হয়। মঙ্গলবার, অর্থ দফতরের তরফে জারি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে ধর্মঘটের দিন কাজে না এলে বেতন কাটা যাবে। ছেদ পড়বে কর্মজীবনেও। পাশাপাশি, মহাকরণে সরকারি কর্মীদের থাকার ব্যবস্থা করা হবে বলেও সরকারের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। রাজ্যে সরকারের কর্মচারীদের জন্য নির্দেশিকাটি রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার কর্মীদের ক্ষেত্রেও কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন পরিবহণ মন্ত্রী।