প্যারাটিচারদের প্রশিক্ষণের দায়িত্ব রাজ্যেরই, হাইকোর্টের রায়

Update: January 16, 2013 21:34 IST

প্যারাটিচারদের প্রশিক্ষণের দায়িত্ব নিতে হবে রাজ্য সরকারকেই। রায় দিল কলকাতা হাইকোর্ট। প্যারাটিচারদের দায়ের করা এক মামলার শুনানির সময় হাইকোর্ট বলে, শিক্ষা অধিকার আইন অনুযায়ী প্যারাটিচারদেরও প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে, প্রশিক্ষণের দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে। রাজ্যে এই মুহূর্তে প্যারাটিচারের সংখ্যা প্রায় ৫৫ হাজার।

শিক্ষার অধিকার আইন বলছে, প্রশিক্ষণ ও নির্দিষ্ট যোগ্যতা না থাকলে দু হাজার পনেরো সালের পর কেউই শিক্ষকতা করতে পারবেন না। সেই অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই কর্মরত স্থায়ী প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছে সরকার। কিন্তু, প্যারাটিচারদের অভিযোগ, তাঁদের প্রশিক্ষণের কোনও ব্যবস্থাই হচ্ছে না। প্রশিক্ষণের আর্জি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেন প্যারাটিচাররা। 

বুধবার এই মামলার শুনানির সময় বিচারপতি বলেন, প্যারাটিচারদেরও প্রশিক্ষণের দরকার। সেক্ষেত্রে ইচ্ছুক প্যারাটিচারদের প্রশিক্ষণের দায়িত্ব নিতে হবে রাজ্য সরকারকে। ২০১৫ সালের মধ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে সরকারকে। কারণ, কেন্দ্রীয় নিয়মে সম্প্রতি বলা হয়েছে, নির্দিষ্ট যোগ্যতা যাদের থাকবে না তারা দু হাজার পনেরো সালের মার্চ মাসের পর থেকে আর শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারবেন না। ফলে  শুধু স্থায়ী শিক্ষক নয়, প্যারাটিচার বা পার্শ্ব শিক্ষকদেরও প্রশিক্ষণের দায় এল রাজ্য সরকারের কাঁধে।

Post Your Comment

Total Comments:3

jo vi sarkar aayegi para teacher aur ptti ki samasya ko katputli ki tarah nachayegi

jo vi sarkar aayegi para teacher aur ptti ki samasya ko katputli ki tarah nachayegi

BAMFRONT SARKARER AMOLE ONADER NIYE MAMATADEBIR NACHA NACHI ONEK DEKHECHI, NIJER DHANDA SESH FIREO TAKABEN NA. ONER CHORITYER BISESH GUN.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।