হাইকোর্টে হোঁচট খেল রাজ্য সরকার

Update: March 15, 2013 18:30 IST

ফের হাইকোর্টে ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। সল্টলেক পুরসভার অফিসার অন স্পেশাল ডিউটি নিয়োগ পদ্ধতিকে অবৈধ আখ্যা দিল কলকাতা হাইকোর্ট।

কৃষ্ণা চক্রবর্তী পুরসভার চেয়ারপার্সন হওয়ার পরেই সুব্রত ঘোষকে অফিসার অন স্পেশাল ডিউটি পদে নিয়োগ করা হয়। এক টাকা সাম্মানিকের বিনিময়ে এই নিয়োগ করা হয়। সেই নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়। তার ভিত্তিতেই আজ এই নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। ভবিষ্যতে যাতে এই ধরণের ঘটনা না ঘটে সেবিষয়েও সতর্ক করেছে হাইকোর্ট।

Post Your Comment

Total Comments:3

AR KOTO HOCHOT KHABEN?

thanks for your superb comment dear Rabinchandra.

হাওয়াই চপ্পলে হোঁচট! সুপ্রিমোর চেয়ারপার্সন ! দ্যাসে কি তাহলে লাত্যকার ব্রাত্য বসুর ``অমিত-মিত্রাক্ষর ছন্দ`` লাটক চলছে?

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।