অভিনব মিছিলে পা মেলাল কলকাতা

Update: August 18, 2012 22:24 IST

অভিনব এক মিছিল দেখল কলকাতা। শ্লোগান নেই। নেই রাজনীতি। পোড় খাওয়া রাজনৈতিক মুখ নেই। তার বদলে রয়েছে হাজার স্কুল পড়ুয়ার নিস্পাপ মুখ। যে মুখে রয়েছে সুন্দর ও নির্যাতন মুক্ত শান্ত পৃথিবী গড়ার দৃঢ় শপথ।

বিশ্বের দরবারে পৌঁছে দিতে হবে শান্তির বার্তা। দেশ তথা রাজ্য জুড়ে নারীর ওপর বাড়তে থাকা নারকীয় অত্যাচারের বিরুদ্ধে গড়ে তুলতে হবে সংগঠিত প্রতিবাদ। আর এই প্রতিবাদের দায়িত্ব নিতে হবে ভবিষ্যতের নাগরিকদের। যারা আজকের স্কুলপড়ুয়া। অভিনব এই ভাবনা থেকেই শহরের তিনটি নামকরা ইংরাজি মাধ্যম স্কুলের ন`হাজার পড়ুয়া শনিবার সকালে পা মেলালো এক মিছিলে। বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা সহ সেই সচেতনতা মিছিল নজরুল মঞ্চ থেকে যাত্রা শুরু করে শেষ হল রাসবিহারি অ্যাভিনিউতে।
 
একেবারে প্রথমে বিশাল ট্রলারে বিশ্বভাতৃত্বের সঙ্গীত। তারপর নিজেদের হাতে তৈরি ছোট বড় কাটআউট ও গোলাপি বেলুনে সজ্জিত আট থেকে ১৬র স্কুলপড়ুয়ারা। মাঝে একবার প্রবল বৃষ্টিতে কিছুটা অস্বস্তি। বৃষ্টি থামতেই দৃঢ় মুখগুলোয় ভবিষ্যতের শপথ আবার পায়ে পা মেলাল।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।