জগদ্ধাত্রী পুজোয় সামিল কলকাতাও

চন্দননগরের মত জাঁকজমক নেই, তবে জগদ্ধাত্রী পুজো উপলক্ষ্যে উত্‍সবের ছোঁয়া কলকাতার বিভিন্ন এলাকায়। আজ নবমী। ষোড়শোপচারে পুজোর আয়োজনে ব্যস্ত উদ্যোক্তারা।

Updated: Nov 4, 2011, 05:52 PM IST

চন্দননগরের মত জাঁকজমক নেই, তবে জগদ্ধাত্রী পুজো উপলক্ষ্যে উত্‍সবের ছোঁয়া কলকাতার বিভিন্ন এলাকায়। আজ নবমী। ষোড়শোপচারে পুজোর আয়োজনে ব্যস্ত উদ্যোক্তারা। জগদ্ধাত্রী পুজোর মণ্ডপগুলিতেও রয়েছে থিমের ছোঁয়া। একই সঙ্গে দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যের ধারা বজায় রেখে পুজোর আয়োজন করা হয়েছে শহরের একাধিক বনেদি পরিবারে।
ফুলবাগানের চিত্রকূট ক্লাবের জগদ্ধাত্রী পুজো এবার পা দিল পঞ্চাশ বছরে। স্বামী বিবেকানন্দের জন্মের সার্ধশতবর্ষ উপলক্ষে এই পুজোর এবারের থিম রামকৃষ্ণ মিশন ও বিবেকানন্দ সোসাইটি। মণ্ডপে স্বামীজির জীবনের নানা দিক ফুটিয়ে তুলেছেন কৃষ্ণনগরের মৃত্‍‍শিল্পীরা।  
ছবছরে পা দিল রোহিনী হাউসিং কোঅপারেটিভ সোসাইটির পুজো। কুমারী পুজোর মধ্য দিয়ে শুরু হয় নবমীর পুজো। স্বামী বিবেকানন্দের পৈতৃক ভিটের আদলে তৈরি হয়েছে শীল লেন সর্বজনীন পুজো সমিতির মণ্ডপ।

থিমের বাইরে গিয়ে সাবেকিয়ানাই প্রাধান্য পেয়েছে বাগবাজার সর্বজনীন জগদ্ধাত্রী পুজো কমিটির পুজোতে। প্রতিমাতেও রয়েছে সাবেকিয়ানার ছোঁয়া। স্কোয়্যার অ্যাথলেটিক ক্লাবের পুজো এবার পা দিল পঁয়ত্রিশ বছরে। এখানকার মণ্ডপে উত্‍সাহী মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মত।

 

মণ্ডপ ও প্রতিমার নিরিখে নজর কেড়েছে নর্থ ক্যালকাটা ক্লাব ও অ্যাথলেটিক ক্লাবের পুজো। সাবেকিয়ানার ছোঁয়া রয়েছে শীল লেন যুবকবৃন্দের পুজোতেও।

স্বামী বিবেকানন্দের জন্মের সার্ধশত বছর উপলক্ষে সাজিয়ে তোলা হয়েছে পাটনাতলা লেন সার্বজনীন পুজো কমিটির মণ্ডপ। চাঁদা তুলে নয়, বেনিয়াতলা জগদ্ধাত্রী পুজো কমিটির সদস্যরা নিজেরাই টাকা দিয়ে পুজো করেন। থিম নয়, মণ্ডপ ও প্রতিমায় সাবেকিয়ানাই এখানে প্রাধান্য পেয়েছে।

কলকতার বনেদি পরিবারগুলির জগদ্ধাত্রী পুজোর ঐতিহ্য দীর্ঘদিনের। এবার একশো পঁচাত্তর বছরে পা দিল বাবুরাম শীল লেনের দত্ত বাড়ির পুজো। তিনশো পঁয়ত্রিশ বছরে পা দিল রামকানাই অধিকারী লেনের সেন বাড়ির পুজো। পুজোকে কেন্দ্র করে উত্‍সাহ ছিল চোখে পড়ার মত।