যোগেনকে উদ্বোধনে ডেকে বিতর্কে কলকাতা পুলিস

Update: January 4, 2013 20:08 IST

ফের বিতর্কের কেন্দ্রে কলকাতা পুলিস। কলকাতা পুলিসের একটি প্রদর্শনীর উদ্বোধন করছেন জাল ছবি মামলায় অভিযুক্ত যোগেন চৌধুরী। আর এই ঘটনায় কলকাতা পুলিসের এক শীর্ষ কর্তার মন্তব্যে বিতর্ক আরও জোরদার হয়েছে। আগামী ৭ জানুয়ারি কলকাতা পুলিসের কর্মীদের আঁকা ছবির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধনে ডাকা শিল্পীকে নিয়েই বিতর্কের সূত্রপাত।

শিল্পী যোগেন চৌধুরীকে নিয়েই বিতর্কের সূত্রপাত। কারণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জাল ছবি সংক্রান্ত মামলার এফআইআরে তাঁর নামে অভিযোগ রয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টে পর্যন্ত মামলা হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত রাজ্য গোয়েন্দা পুলিস বা সিআইডিকে তদন্তভার দেওয়া হয়েছে। এমন গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ থাকলেও বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে নারাজ কলকাতা পুলিস।

বিভিন্ন সময়েই কলকাতা পুলিসের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্ব বা রাজনীতিকরণের অভিযোগ উঠেছে। জাল ছবি মামলায় অভিযুক্ত হলেও তাতে গুরুত্বই দিতে নারাজ পুলিসের শীর্ষকর্তা। স্বাভাবিকভাবেই সেই অভিযোগ আরও জোরাল হয়েছে।





Post Your Comment

Total Comments:4

The target of police is to please DIDI.

তৃনমূল দলটাকে এবং বর্তমান সরকারকে এই কটা লক মিলে ডোবাবে ।যে তা বর্তমান সরকার বুজদে পারছে না ।এরা সব সারথনেসি। সুতরাং দল এবং সরকারের এখন এদের কাচথেকে সাবধান হয়া উচিত।

MR.JOGEN AN ASPIRANT OF NEGLECTING OTHER PROGRESSIVE ARTISTS AND HUMAN BEINGS. AS BECAUSE YOU THOUGHT OF A DREAM-LAND PAINTINGS.AND, AND OF COURSE TO HAVE A ``SUSHIL`` SCHOLERSHIP THAT CAN BE AWARDED BY MAMATA BANNERJEE.AND YOU PROVED IT WITH MAMATA BANNERJEE AT TOWN HALL.AN ARTIST YOU MIGHT HAVE BEEN KNOWN WITH KHAN JAINUL A PAINTING ON INDIAN FEMINE AND AGGRERIAN PROBLEM.

MR.JOGEN AN ASPIRANT OF NEGLECTING OTHER PROGRESSIVE ARTISTS AND HUMAN BEINGS. AS BECAUSE YOU THOUGHT OF A DREAM-LAND PAINTINGS.AND, AND OF COURSE TO HAVE A ``SUSHIL`` SCHOLERSHIP THAT CAN BE AWARDED BY MAMATA BANNERJEE.AND YOU PROVED IT WITH MAMATA BANNERJEE AT TOWN HALL.AN ARTIST YOU MIGHT HAVE BEEN KNOWN WITH KHAN JAINUL A PAINTING ON INDIAN FEMINE AND AGGRERIAN PROBLEM.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।