শুরু হল জয়েন্ট এন্ট্রান্সের কাউন্সেলিং

Update: June 10, 2012 17:27 IST

সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে এবছরের জয়েন্ট এন্ট্রান্সের কাউন্সেলিং। রাজ্যে এবছরই প্রথম ই-কাউন্সেলিং হতে চলেছে। অর্থাত্ কম্পিউটারের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীরা নিজেদের পছন্দ জানাতে পারবে। ইঞ্জিনিয়ারিং-এ প্রায় ৩২ হাজার আসনের জন্য কাউন্সেলিং করা হবে। 

অনলাইন কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীরা একাধিক বিষয়কে নিজেদের পছন্দের তালিকায় রাখতে পারবে। শুধু তাই নয়, কোনও একটি বিষয় কোন কোন কলেজে ছাত্রছাত্রীরা পড়তে চায় তাও তারা নির্দিষ্টভাবে দেওয়া যাবে ইন্টারনেটে। একজন পরীক্ষার্থীর নাম এআইট্রিপল ই এবং রাজ্য জয়েন্ট দু ক্ষেত্রেই মেধাতালিকায় থাকলে সে দু ক্ষেত্রের জন্যই আবেদন করতে পারবে। তবে এআইট্রিপল ই- র‌্যাঙ্ক অনুযায়ী একজন শুধুমাত্র প্রাইভেট কলেজের জন্য তার পছন্দ জানাতে পারবে।   
 
আবেদন করার শেষ দিন ২৯ জুন। প্রথম কাউন্সেলিং-এর ফল প্রকাশিত হবে ২ রা জুলাই।  তবে তার আগে ১৯ ও ২৫ জুন বোর্ডের তরফে একটি মক লিষ্ট প্রকাশ করা হবে। সেই লিস্ট থেকেই ছাত্রছাত্রীরা আন্দাজ পাবে তাদের আবেদনের ভিত্তিতে কোন কলেজে কী বিষয় তারা পড়ার সুযোগ পেতে পারে। মক লিস্ট দেখে কোনও পরীক্ষার্থী চাইলে তার পছন্দ পরিবর্তনও করতে পারবে। 

 প্রথম কাউন্সেলিং-এর পরে কোনও আবেদনকারীর সিট পছন্দ না হলে সে দ্বিতীয় দফার ও তৃতীয় দফার কাউন্সেলিং -এর জন্য আবেদন করতে পারবে। তবে সেক্ষেত্রে দুটি বা তিনটি লিস্টের মধ্যে থেকে বেছে নেওয়ার আর সুযোগ পাবে না ছাত্রছাত্রীদের। সেক্ষেত্রে সর্বশেষ লিস্টটিই গ্রহনযোগ্য হবে।    






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।