বধূনির্যাতনের অভিযোগ না-নেওয়ায় সাসপেন্ড কালীঘাটের ওসি

Update: April 26, 2012 16:29 IST

কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে সাসপেন্ড করা হল কালীঘাট থানার অতিরিক্ত ওসিকে। আগেই তাঁকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। দিন তিনেক আগে স্বামীর বিরুদ্ধে নিগ্রহের অভিযোগ জানাতে থানায় যান এক মহিলা। তাঁর অভিযোগ, পুলিস প্রথমে বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়নি। এমনকি এফআইআর নিতেও তারা অস্বীকার করে। জেনারেল ডায়েরি করেই কালীঘাট থানা তাঁকে ফিরিয়ে দেয় বলে অভিযোগ।

বুধবার ফের থানায় গিয়ে স্বামী-সহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে এফআইআর করেন ওই মহিলা। এরপরই মহিলার স্বামী মনোজিত রায়কে গ্রেফতার করে পুলিস। ঘটনা জানাজানি হতেই কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে কালীঘাট থানার অতিরিক্ত ওসি কল্যাণ দত্তকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তিনি ছাড়া থানার ডিউটি অফিসার আর এন গুহকেও সাসপেন্ড করা হয়েছে। কল্যাণ দত্তর জায়গায় নিউ আলিপুর থানার অতিরিক্ত ওসিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।