কলকাতার বুকে কিষেণজি স্মরণসভা, অন্ধকারে গোয়েন্দারা

Update: November 24, 2012 21:56 IST

খাস শহর কলকাতার বুকে পালিত হল কিষেণজির স্মরণসভা। খবরই ছিল না গোয়েন্দাদের কাছে। রীতিমতো স্লোগান দিয়ে, স্যালুট জানিয়ে পালিত হল মাওবাদী নেতা কিষেণজির প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। চব্বিশ ঘণ্টার এক্সক্লুসিভ রিপোর্ট।

২৪ নভেম্বর, ২০১১

পুলিসের গুলিতে নিহত হয়েছিলেন মাওবাদী শীর্ষ নেতা কিষেণজি। সেই ঘটনায় ভুয়ো সংঘর্ষের অভিযোগ উঠেছিল। উঠেছিল বহু প্রশ্ন, যার উত্তর মেলেনি। ইতিমধ্যে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে পুলিসি অভিযান আরও তীব্র হয়েছে। এরাজ্যের বেশ কয়েকজন শীর্ষ মাওবাদী নেতা আত্মসমর্পন করেছেন। তবে সেই ধাক্কা কাটিয়ে উঠে মাওবাদীরা যে ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে তারই প্রমান মিলল শনিবার।

২৪ নভেম্বর, ২০১২

খাস শহর কলকাতার বুকে পালিত হল কিষেণজির স্মরণসভা। রীতিমতো ফুল দিয়ে ছবি সাজিয়ে আয়োজিত হয়েছিল এই সভা। উপস্থিত ছিলেন রাজ্য ও কলকাতা শহরের বেশকিছু শীর্ষস্থানীয় নেতা ও নেত্রী। সেই ঘটনার সাক্ষী ছিল শুধুমাত্র ২৪ ঘণ্টা।

এই উপলক্ষ্যে একটি লিফলেটও বিলি করা হয়। তাতে কিষেণজির সংক্ষিপ্ত জীবনী নিয়ে ছাপানো ওই লিফলেটে শহীদ স্মরণ দিবস উদযাপনের কথা লেখা রয়েছে। শহীদ স্মরণ কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত হয় এই সভা।

জঙ্গলমহলেরও বিভিন্ন প্রান্তে এমন শহীদ দিবস পালিত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।






Post Your Comment

Total Comments:1

I liked the brief reportage.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।