শনিবার পুর বাজেট পেশ

আগামিকাল ২০১২-১৩ সালের পুর বাজেট পেশ করবেন কলকাতা পুরসভার মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়। তার আগে প্রকায করা হল গত বছরের বাজেটে প্রস্তাবিত কাজের বাস্তবায়নের খতিয়ান।

Updated: Mar 9, 2012, 07:03 PM IST

শনিবার ২০১২-১৩ সালের পুর বাজেট পেশ করবেন কলকাতা পুরসভার মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়। তার আগে প্রকাশ করা হল গত বছরের বাজেটে প্রস্তাবিত কাজের বাস্তবায়নের খতিয়ান।
২০১১-১২ সালের পুর বাজেট অনুসারে আয় ২ লক্ষ ৪ হাজার ৩৫৪ কোটি ৪ লক্ষ টাকা। ব্যয় ২ লক্ষ ২৯ হাজার ৪৮৮ কোটি ৯৮ লক্ষ টাকা। ঘাটতি ২৫ হাজার ১৩৪ কোটি ৯৪ লক্ষ টাকা।
কিন্তু গত বাজেটের  বেশকিছু প্রস্তাব এখনও বাস্তবায়িত হয়নি।
 
 গত পুর বাজেটে ইউনিট এরিয়া অ্যাসেসমেন্ট চালু করার কথা ঘোষণা করেছিলেন মেয়র। এর ফলে কর ব্যবস্থার সরলীকরণ সম্ভব হবে বলে দাবি করা হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। পরিস্থিতি সামলাতে তাই দেবব্রত মজুমদারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
 
অন্যদিকে গত পুর বাজেটে বস্তি উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ হয়েছিল ৮৪ কোটি ৭২ লক্ষ টাকা। কেন্দ্রীয় সরকারের বেসিক সার্ভিস ফর আরবান পুওর প্রকল্পের আওতায় পুরসভার হাতে আরও ১০০ কোটি টাকা ছিল। অথচ এই ১০০ কোটি টাকার এক টাকাও খরচ হয়নি। এমনকী কোনও প্রজেক্ট রিপোর্টও জমা দিতে পারেননি মেয়র। পুর বাজেটে বরাদ্দ টাকার মধ্যে খরচ হয়েছে মাত্র ২০ কোটি টাকা। অথচ মেয়র নিজেই বস্তি উন্নয়ন দফতরের মেয়র পারিষদ ছিলেন। সেকারণেই সম্ভবত ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী অতীন ঘোষকে বস্তি উন্নয়নের দায়িত্ব দেন।
 
 পুরসভা এলাকার রাস্তা উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ হয়েছিল ১৮০ কোটি ২৯ লক্ষ টাকা। সেন্টার রোড ডিভাইডার ও রাস্তা ঠিক করার জন্য কিন্তু ৫০ শতাংশ কাজও এগোয়নি।
 
কলকাতা পুরসভা এলাকায় রাস্তার আলোর জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল ৭৭ কোটি ৬৯ লক্ষ টাকা। যার সিংহভাগ খরচ করার কথা ছিল বস্তি অঞ্চলের আলোর জন্য। অথচ কার্যক্ষেত্রে তা হয়নি। সৌন্দর্যায়নের জন্য ট্রাইডেন্ট আলো লাগানো হয়েছে শহরজুড়ে। ওই আলোগুলির প্রতিটির খরচ ১৯ হাজার টাকা। তার ফলে এই খাতে ইতিমধ্যেই বরাদ্দের চেয়ে অনেক বেশি খরচ হয়ে গেছে।
 
এবারের বাজেটে বেশ কয়েকটি বিষয়ে জোর দিতে পারেন মেয়র।
 
বস্তি উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ বাড়তে পারে।
 
বরাদ্দ বাড়তে পারে শিক্ষাখাতে।
 
স্বাস্থ্যখাতেও বরাদ্দ বৃদ্ধির সম্ভাবনা
 
শহরে বারবার বড়সড় অগ্নিকাণ্ডে চিন্তিত পুর কর্তৃপক্ষ। ফলে বরাদ্দ বাড়তে পারে এই খাতে।
 
কলকাতার পার্কগুলির সৌন্দর্যায়নের জন্য বাড়তে পারে বরাদ্দ।