এবারের বইমেলা সুনীল, হুমায়ূনের

Update: January 28, 2013 09:57 IST

এপার যখন সুনীল শূন্য ওপারে তখন হুমায়ূনের বিদায়। গত বছর দুই বাংলা হারিয়েছে সাহিত্যের দুই দিকপালকে। তবুও, এবারের কলকাতা বইমেলায় দু`জনেই উপস্থিত। হুমায়ূন আহমেদের বিপুল সৃষ্টির খোঁজে বাংলাদেশ স্টলের সামনে ভিড় জমাচ্ছেন অসংখ্য হুমায়ূন অনুরাগী। আর প্রথম দিনেই সুনীল সৃষ্টির খোঁজে বিভিন্ন স্টলে লম্বা লাইন।   

গতবছর জুলাইয়ে  সবার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ। কিন্তু, থেকে গিয়েছে তাঁর বিপুল সৃষ্টি সম্ভার। সেইসব মণি মানিক্যের খোঁজে বাংলাদেশ থিম প্যাভেলিয়নের সামনে লম্বা লাইন হুমায়ূন অনুরাগীদের। হিমু সমগ্র কিংবা মিশির আলির পাশাপাশি, পাঠকের মন কাড়ছে তাঁর লেখা সায়েন্স ফিকশন।
 
একই ছবি সুনীলের ক্ষেত্রেও। তিনিও চলে গেছেন মাসখানেক আগে। কিন্তু তাঁর প্রবল উপস্থিতি গোটা বইমেলা জুড়ে।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।