কলকাতা হাফ ম্যারাথনে দৌড়ালেন অসংখ্য মানুষ

Update: February 3, 2013 11:28 IST

আজ সকালে আমেতি কলকাতা হাফ ম্যারাথনে অংশ নিলেন অসংখ্য মানুষ। শহরের রাজপথে ২১ কিমি দৌড়ের আয়োজন করেছিল ডলার। রেড রোড থেকে শুরু হয় এই দৌড়। পিছিয়ে পড়া পরিবারের শিশু কন্যাদের সাহায্যে পথে নামলেন কলকাতার মানুষ।

পেশাদার দৌড়বিদদের জন্য প্রতিযোগিতা মূলক দৌড়ের পাশাপাশাশি সাধারণ মানুষের জন্য চার কিলোমিটার দৌড়েরও ব্যবস্থা ছিল। রেড় রোড় থেকে শুরু হয়ে ধর্মতলা, মৌলালি, বালিগঞ্জ, রাসবিহারীঅ্যাভিনিউ, তারাতলা হয়ে দৌড় শেষ হয় রেড় রোডেই।  মেয়েদের মধ্যে একঘণ্টা বাইশ মিনিটে দৌড় শেষে একলক্ষ টাকা পুরস্কার জিতে নেন ঝুমা খাতুন। ছেলেদের মধ্যে প্রথম হন ড্যানিয়েল ইয়োগেন। কন্যা সন্তানদের আরও সুযোগ সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার কথা প্রচার করে, ১৭ কিলোমিটার পথ দৌড়ন বিখ্যাত অভিনেতা রাহুল বসু। হাফ ম্যারাথন উপলক্ষে সকাল থেকে রেড রোডে হাজির হয়েছিলেন একঝাঁক টলি তারকাও।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।