যাদুঘরের সিংহের মূর্তি ভাঙার ঘটনায় কাঠগড়ায় কর্তৃপক্ষ

যাদুঘরের সিংহের মূর্তি ভাঙার ঘটনায় কাঠগড়ায় কর্তৃপক্ষ

যাদুঘরে সিংহের মূর্তি ভাঙার ঘটনায় এবার কাঠগড়ায় খোদ যাদুঘর কর্তৃপক্ষ। কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব জ্ঞানহীনতার কারণেই মূর্তিটি ভেঙেছে বলে অভিযোগ। এর আগেও শুধুমাত্র রক্ষণাবেক্ষণের অভাবেই ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বেশকয়েকটি মূর্তি। নিজেদের দায় ঝেড়ে ফেলতে এখন অন্য সাফাই গাইছে যাদুঘর কর্তৃপক্ষ।

রামপূর্বা লায়ন ক্যাপিটাল। এই নামেই পরিচিত খননকার্যের সময় বিহারের চম্পারণ থেকে উদ্ধার হয় মূর্তিটি। তারপর থেকেই যাদুঘরের প্রবেশ কক্ষে এর পাকাপাকি জায়গা হয়। কিন্তু গত শুক্রবার সংস্কারের কাজ চলাকালীন ভেঙে যায় মৌর্য যুগের এই প্রাচীন নিদর্শন। শুধুমাত্র সিংহের মূর্তিটিই নয়, কাজ চলাকালীন ভেঙে যায় একটি দুর্গা মূর্তির হাতও। সূত্রের খবর অনুযায়ী, গতমাসে রক্ষাণাবেক্ষণের ক্ষেত্রে চরম অবহেলার ফলে ভেঙে যায় রামচন্দ্রের একটি মূর্তি, ক্ষতিগ্রস্থ হয় একটি বুদ্ধের মূর্তি। আর এইসবকিছুর জন্য যাদুঘরের কনজারভেশন অ্যান্ড প্রিজারভেশন বিভাগের আধিকারিকদের দায়িত্ব জ্ঞানহীনতাই দায়ী বলে মনে করা হচ্ছে।

কারণ, সংস্কারের কাজ চলাকালীন ঠিকা কর্মীদের তদারকির জন্য সেখানে উপস্থিত থাকার কথা আধিকারিকদের। স্বাভাবিকভাবেই তাই প্রশ্ন উঠছে, তাহলে এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তদারকির অভাব হল কেন? কেন কাজ চলাকালীন সেখানে কোনও আধিকারিক বা বিশেষজ্ঞ উপস্থিত ছিলেন না? যদিও যাদুঘর কর্তৃপক্ষের দাবি, মূর্তিটির একটি অংশে অনেকদিন আগেই চিড় ধরেছিল। কিন্তু সেখানেও বক্তব্যের গরমিল ধরা পড়েছে। দেখা যাচ্ছে চিড় ধরা জায়গায় আদৌ মূর্তিটি ভাঙেনি। স্বভাবতই প্রশ্ন উঠছে তাহলে কি নিজেদের দায় ঝেড়ে ফেলতেই যাদুঘর কর্তৃপক্ষের এই সাফাই?

First Published: Wednesday, December 18, 2013, 18:38


comments powered by Disqus