হাসপাতালের খাবার পছন্দ নয়, অস্ত্র নিয়ে হামলা খাবার সরবরাহকারীকে

Update: February 17, 2013 20:15 IST

খাবারের মান নিয়ে আপত্তি ছিল। তাই কাঠের মিস্ত্রির ধারাল অস্ত্র নিয়ে চড়াও হলেন খাবার সরবরাহকারীর ওপর। এক মানসিক রোগীর তাণ্ডবে রীতিমতো আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি  হল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।

বাড়ি গার্ডেনরিচের পাহাড়পুর রোডে। গত ১১ তারিখ থেকে ভর্তি ছিলেন হাসপাতালে মানসিক চিকিত্সা বিভাগে। হাসপাতালের খাবারের মান নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আপত্তি ছিল ওই রোগীর। রবিবার দুপুরে তিনি হামলা চালান এক খাবার সরবরাহকারীর ওপর।

খবর পেয়েই হাসপাতালে পুলিস ফাঁড়িতে যোগাযোগ করেন ডেপুটি সুপার। ওই রোগী ও তাঁর ভাইকে আটক করে পুলিস। পরে পরিবারের সঙ্গে কথা বলে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ওই রোগীর হিংস্র আচরণের কারণে তাঁকে আর হাসপাতালে রাখতে চায়নি কর্তৃপক্ষ।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, মানসিক রোগী হওয়ার পাশাপাশি ওই রোগী মাদকাসক্তও। অতিরিক্ত মাদক সেবনের কারণেই মাঝে মধ্যে হিংস্র আচরণ করে বলে ধারনা চিকিত্সকদের।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।