মৌন মিছিলে শান্তির দাবিতে পথে বুদ্ধিজীবীরা

নীরব মিছিলে সামিল হল কলকাতা। ভাঙর থেকে দিনহাটা, রাজ্যে ক্রমবর্ধমান অশান্তি ও আইনশৃঙ্খলার অবনতির বিরুদ্ধে পথে নামলেন বুদ্ধিজীবীরা। সঙ্গে পা মেলালেন সাধারণ মানুষরাও। আজ বৃহস্পতিবার কলেজ স্কোয়্যার থেকে রানি রাসমণি অ্যাভেনিউ পর্যন্ত এই নীরবে মিছিলে ছিল প্রতিবাদের অঙ্গীকার। মিছিলে পা মেলালেন চন্দন সেন, উষা গাঙ্গুলী, অশোক মুখোপাধ্যায়,পবিত্র সরকার , স্বপ্নময় চক্রবর্তী , সম্বরণ বন্দ্যোপাধ্যায়রা সহ বিশিষ্টরা।

Updated: Jan 17, 2013, 05:28 PM IST

বৃহস্পতিবার মৌন মিছিলে সামিল হল কলকাতা। ভাঙর থেকে দিনহাটা, রাজ্যে ক্রমবর্ধমান অশান্তি ও আইনশৃঙ্খলার অবনতির বিরুদ্ধে পথে নামলেন বুদ্ধিজীবীরা। সশান্তির দাবিতে পথে নামলেন বুদ্ধিজীবীরা। গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার দাবিতে সরব হল মিছিল। সরকার নীতি না বদলালে ভবিষ্যতে বৃহত্তর আন্দোলনের হুমকি দিলেন তাঁরা। বুদ্ধিজীবীদের ডাকে মৌন মিছিল। তবুও, কখনও কখনও মৌনতা ভাঙলেন কেউ কেউ। সামনে উঠে এল একরাশ ক্ষোভ।
 
কলেজ স্কোয়্যার থেকে রানি রাসমণি অ্যাভেনিউ পর্যন্ত এই নীরবে মিছিলে ছিল প্রতিবাদের অঙ্গীকার। মিছিলে পা মেলালেন চন্দন সেন, উষা গাঙ্গুলী, অশোক মুখোপাধ্যায়,পবিত্র সরকার , স্বপ্নময় চক্রবর্তী , সম্বরণ বন্দ্যোপাধ্যায়রা সহ বিশিষ্টরা।
মিছিলের পর নাট্যকার চন্দন সেন জানালেন, "সরকার যেভাবে শিল্প-সংস্কৃতির প্রতিরোধ করতে চাইছে, তা সবার কাছে বিপজ্জনক৷ সঙ্গে ভাঙর থেকে দিনহাটায় যা চলছে তা গুন্ডারাজ ছাড়া আর কিছু নয়। তাই প্রতিবাদের রাস্তা বেছে নিতে বাধ্য হলাম।"
তৃণমূল কংগ্রেস নেতা আরাবুল ইসলামের গ্রেফতারের খবর মিছিলে পৌঁছতেই একটু যেন ফিসফিসানি। কৌতূহল। সরকার বিরোধী আক্রমণ আরও একটু ধারাল। কলেজ স্কোয়ার থেকে শুরু হওয়া মিছিল শেষ রানি রাসমনি রোডে। মিছিলের চেহারা তখন কলেবরে বেশ বড়। দিনহাটায় নাটক করতে গিয়ে আক্রান্ত বেণু চট্টোপাধ্যায়ও নেমেছিলেন পথে। নিজের পাশে এত মানুষ দেখে আত্মবিশ্বাসী  তিনিও।
নাটকে ‘মা-মাটি’ শব্দ ব্যবহার হওয়ায় দিনহাটায় নাট্যকর্মীদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে৷  রীতিমতো ঘেরাও করা হয় নাট্যদলকে৷ সংস্কৃতি জগতেও শাসক দলের আক্রমণের অভিযোগে সরব হয় বিভিন্ন মহল৷