নিউটাউনে যুবতীর রহস্যজনক মৃত্যু

Update: April 25, 2012 21:34 IST

যুবতীর অস্বাভাবিক মৃত্যুর জেরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল নিউটাউনের ১০০ একরজমি এলাকায়। মৃতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় একটি বহুতলের ৪ তলার একটি ফ্ল্যাটে একাই থাকতেন ২৩ বছর বয়সী ওই যুবতী। তাঁর নাম তানিয়া সরকার।

বুধবার ভোরে ফ্ল্যাটের নিচে তাঁর রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখে, নিউটাউন থানায় খবর দেন অন্যান্য আবাসিকরা। এরপরে দেহ উদ্ধার করে বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে  যাওয়া হলে তানিয়াকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিত্সকরা। প্রাথমিকভাবে পুলিসের অনুমান চারতলা থেকে পড়েই মৃত্যু হয়েছে বহুজাতিক সংস্থার  মার্কেটিং বিভাগে কর্মরত এই যুবতীর। তবে মৃত্যুর কারণ নির্দিষ্ট করতে ইতিমধ্যেই ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে দেহটি।   






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।