আলিপুর জেলে বসে তৈরি হয়েছে লস্করের নাশকতার ছক

Last Updated: Saturday, August 2, 2014 - 07:37
আলিপুর জেলে বসে তৈরি হয়েছে লস্করের নাশকতার ছক

কলকাতা: কলকাতার জেলেবন্দি পুরনো সাগরেদদের সাহায্যেই নাশকতার ছক কষছে আমির রেজা খান। সংগঠনের অস্তিত্ব বাঁচাতে হাত মিলিয়েছে লস্কর জঙ্গিগের সঙ্গে ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের এই শীর্ষ নেতা। গোটা পরিকল্পনাটাই করা হয়েছে কলকাতার আলিপুর জেলে বসে, এমনই দাবি দিল্লি পুলিসের স্পেশাল সেলের।

২০১৪-র২০ জুলাই দিল্লি পুলিসের হাতে ধরা পড়ে ৪২ বছরের আবদুল সুভান। তদন্তকারীদের দাবি, পাকিস্তানে বসে থাকা লস্কর এ তৈবা সংগঠক আজম চিমা  এবং জাহিদ বালুচির নির্দেশেই জঙ্গি সংগঠনের কাজ চালাচ্ছিল হরিয়ানার মেরাটের বাসিন্দা সুভান। তারসঙ্গে পাকিস্তানের লস্কর নেতাদের যোগ করিয়ে দেয় আরসাদ খান এবং  আশাবুদ্দিন, ষাঁরা এই মুহুর্তে কলকাতার আলিপুর জেলে বন্দি। আরসাদ আশাবুদ্দিন ওরফে সৌকত এবং সুভান প্রত্যেকেই পূর্ব পরিচিত। ২০০১গুজরাটে নাশকতার ছক নিয়ে অস্ত্রপাচারের সময় ধরা পড়ে যায় সুভান ও কলকাতার ছেলে আসিফ রেজা খান।

 পালিয়ে যায় আজম চিমা।  আরসাদ ও আসাবুদ্দিনও খাদিম ক৪তা পার্থ রায়বর্মন অপহরণে অভিযুক্ত। সেই অভিযোগেই কলকাতার জেলে বন্দি বারানসীর গ্যাংস্টার আফতাব আনসারি। আফতাব আসিফের পুরনো বন্ধু ও কলকাতার আমেরিকান সেন্টার হামলায় আসিফের ভাই আমিরের প্রধান সহযোগী। দিল্লি পুলিসের দাবি, ইয়াসিন ভাটকল গ্রেফতারের পরে ভাঙনের মুখেপড়ে ইন্ডিয়ান মুজাহিদিন সংগঠন। নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে আমির রেজা খান শরনাপন্ন হন পুরনো সঙ্গী আফতাব, আশাবুদ্দিন ও আরসাদের।

তারপরেই কলকাতার জেলে বসে শুরু হয় সংগঠন পুর্ণগঠনের পরিকল্পনা। ২০১৩-র অগাস্টে প্যারোলে ছাড়া পেয়ে মেওয়াটে যায় আশাবুদ্দিন। সেখান থেকেই শুরু হয় জাহিদ বালুচির সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ। সেই যোগাযোগ বজায় থাকে আলিপুর জেলেও।  এই তিন পান্ডার মধ্যস্থতাতেই হরিয়ানা,রাজস্থান ও উত্তরপ্রদেশে জঙ্গি নেটওয়ার্ক গড়ে তুলছিল সুভান। কলকাতা থেকে করা পাকিস্তানে ফোনের সূত্র ধরেই শুভানের নাগাল পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে দিল্লি পুলিস। নাশকতার ঠিক কী ছক কষা হয়েছিল তা জানতে আসাবুদ্দিন ওরফে সৌকতকে ইতিমধ্যেই দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরা শুরু তকরেছে দিল্লি পুলিস। কলকাতায় আফতাব ও আরসাদকেও জেরা করা হবে বলে দিল্লি পুলিস সূত্রে জানা গেছে।

 



First Published: Saturday, August 2, 2014 - 07:37


comments powered by Disqus