ল্যাটেরাল ভর্তিতে হবে না অনলাইন কাউন্সেলিং

Update: September 2, 2012 23:13 IST

জয়েন্টের ই-কাউন্সেলিংয়ের বিভ্রাটের অভিযোগের পর ল্যাটেরাল ভর্তিতে পুরনো নিয়মেই ফিরে গেল জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড। এক্ষেত্রে অনলাইন কাউন্সেলিং না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বোর্ড। জয়েন্ট্র এন্ট্রান্সে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিপুল সংখ্যক আসন ফাঁকা থাকায় ই-কাউন্সেলিংকেই দায়ী করেছিল বিভিন্ন মহল। তবে জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ডের দাবি, অল্প সংখ্যক পরীক্ষার্থী হওয়াতেই এই অন লাইন কাউন্সেলিং করা হচ্ছে না। 

জয়েন্ট এন্ট্রাসের অন লাইন কাউন্সেলিং শেষ হওয়ার পরও যাদবপুর, শিবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে নজিরবিহীনভাবে ফাঁকা থেকে গেছে ১৮০টি আসন। শুধু তাই নয়, গোটা রাজ্যে ফাঁকা পড়ে থাকা আসনের সংখ্যা প্রায় ১২ হাজার। এই ঘটনার জন্য অন লাইন কাউন্সেলিংকেই দায়ি করেছেন অনেকে। যদিও কর্তৃপক্ষ সেই অভিযোগ মানতে নারাজ। তবে দ্বিতীয় বর্ষে ল্যাটেরাল- ভর্তির ক্ষেত্রে আর অন লাইন কাউন্সেলিং-এর পথে হাটছে না জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড। পুরোপুরি ম্যানুয়াল অর্থাত্ পুরোনো নিয়মেই এবছর কাউন্সেলিং হবে বলে বোর্ডের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। জয়েন্টের অনলাইন কাউন্সেলিংয়ের ক্ষেত্রে যা ঘটেছে তারপর বোর্ড আর ঝুঁকি নিতে চাইছে না বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। যদিও বোর্ডের যুক্তি, ল্যাটেরালের মাধ্যমে আড়াই থেকে থেকে তিন হাজার ছেলেমেয়ে ভর্তি হয়। তাই এই অল্প সংখ্যক ছাত্রছাত্রীর জন্য বিপুল খরচ করে অনলাইন প্রক্রিয়া করা হচ্ছে না।

কিন্তু যে ছাত্রছাত্রীদের সুবিধার কথা ভেবে জয়েন্টে অনলাইন ব্যবস্থা চালু করা হল সেই সুবিধার কথা কেন এক্ষেত্রে মাথায় রাখছে না বোর্ড তা নিয়েই তৈরি হয়েছে বিশেষ কৌতূহল।






Post Your Comment

Total Comments:1

jak, bhalo holo. amader scope aro bere gelo.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।