ফের আক্রান্ত অধ্যাপিকা, কাঠগড়ায় সুলতান আহমেদ

Update: November 17, 2012 15:13 IST

ভাঙড় কলেজের পর এবার খাস কলকাতার একটি কলেজ। আরাবুল ইসলামের পর এবার অভিযুক্ত সুলতান আহমেদ। তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সুলতান আহমেদ বেনিয়াপুকুরের মিল্লি আল আমিন ফর গার্লস কলেজের গভর্নিং বডিরও প্রেসিডেন্ট। উচ্চশিক্ষা সংসদের নিয়ম না মেনে ওই কলেজে আজ গভর্নিং বডির বৈঠক চলছিল বলে অভিযোগ। রাজ্য সরকারের ঠিক করে দেওয়া নতুন গভর্নিং বডির সদস্যদের বাদ দিয়ে পুরনো সদস্যদের নিয়েই তিনি বৈঠক করছিলেন। ঘটনাটির প্রতিবাদ করেন নতুন গভর্নিং বডির সদস্য জারিনা খাতুন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন অন্য অধ্যাপিকারাও। কেন নতুন সদস্যদের বৈঠকে ডাকা হয়নি এ প্রশ্ন তুলতেই সুলতান আহমেদ দুর্ব্যবহার করে তাঁকে বেরিয়ে যেতে বলেন বলে অভিযোগ করেছেন অধ্যাপিকা জারিনা খাতুন। এরপর গভর্নিং বডির সেক্রেটারি মহম্মদ জাহাঙ্গির তাঁকে বার করে দেওয়ার জন্য ধাক্কা দেন বলেও জারিনার অভিযোগ।

ভাঙর থেকে ঝারগ্রাম হয়ে এবার খোদ কলকাতায়, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের উপর শাসক দলের আক্রমণের ধারা অব্যাহত। আজ বেনিয়াপুকুরের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন শিক্ষাবিদ সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

Post Your Comment

Total Comments:4

কতগুলি লোকের জন্য কলেজ বা ইউনিভার্সিটি-র খুব একটা প্রয়োজন নেই। যেটা দরকার, তা হল নামের সামনে অথবা পিছনে কতগুলো জোরালো উপাধির স্ট্যাম্প লাগানো। প্রয়োজনে অর্থাৎ জনসাধারণকে ধাপ্পা দিতে বিদেশী, চোখ-ধাঁধানো ডক্টরেট উপাধির অলংকারের জৌলুসে প্রবঞ্চনা করে বিদ্যার দিগগজ ভাবমূর্তি স্থাপন করা। নমুনা ?.... অস্তিত্ব বিহীন USA, East Georgia University – র কল্পিত উপাধিকে জালিয়াতি ছাড়া অন্য কোনও সংজ্ঞা দেওয়া চলে না। সাধারণ মানুষকে এই ধরণের প্রবঞ্চনা, জালিয়াতি-র অপরাধে জেলের ঘানি ঘোরাতে হত।... এই সব লোকদের আর তাদের সর্দারদের কাছে কলেজ বা ইউনিভার্সিটি এবং অধ্যাপক, অধ্যাপিকার সম্মান আশা করাটা-ই নিতান্ত মূর্খতা। এই প্রবঞ্চকগুলিকে আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে হবে।

Tmc ki ma ki akhn

শুধু এটাকে নস্যাৎ করাই নয় দিদিমনি এবার বলবেন``এটা প্লান্টেড করা,সিপিএম ও কংগ্রেস তথা সংবাদ মাধ্যম গুলির চক্রান্ত`` । একটু পরেই চিটফান্ড মালিকের চ্যানেলে শুনতে পাবেন । এই নাহলে গণতণ্ত্র.......

TRINOMULER SUPRIMO EKHUNI BIBRI DEBAN- ``CAPMER POSA CHANELER MITHYA PROCHAR. OROKOM KONO GHATONA GHATENI, NIYOM MENA MEETING HOYACHE.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।