ধর্মতলায় আইন অমান্য কর্মসূচী বামেদের

Update: July 17, 2012 22:48 IST

মূল্যবৃদ্ধি ইস্যুতে সরকারের ওপর চাপ বাড়াতে একের পর এক আইন অমান্য কর্মসূচি নেবে বিরোধী বামেরা। মঙ্গলবার ধর্মতলায় বামফ্রন্টের ডাকা আইন অমান্য থেকে একথা ঘোষণা করেন বিমান বসু, অশোক ঘোষ। তাঁদের মূল অভিযোগ, সরকার মুখে মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বললেও বাস্তবে নিষ্ক্রিয়। আর সেই কারণেই আইন অমান্য করতে বাধ্য হচ্ছে বিরোধীরা। মঙ্গলবার ডোরিনা ক্রসিংয়ে গ্রেফতারবরণ করেন বামফ্রন্টের শীর্ষ নেতাসহ কর্মী-সমর্থকেরা।

দেশজুড়ে এই মূহুর্তে জ্বলন্ত ইস্যু মূল্যবৃদ্ধি। বামেদের অভিযোগ জিনিসপত্রের দাম আকাশ ছোঁয়ার জন্য দায়ী কেন্দ্র ও রাজ্য দুই সরকারই। মঙ্গলবার কলকাতায় আইন অমান্য কর্মসূচিতে সামিল হয়ে বামফ্রন্টের নেতৃত্ব অভিযোগ করেন, জিনিসের দাম কমাতে সরকার শুধু টাস্ক ফোর্সই তৈরি করছে কাজের কাজ কিছু হচ্ছে না। তাদের এও অভিযোগ বাজারের জিনিসের দাম কমাতে চাষিকে কম দামে ফসল বিক্রি করতে বাধ্য করছে প্রশাসন। যার জেরে গভীর সঙ্কটে পড়েছে গ্রামীন অর্থনীতি। মঙ্গলবারের আইন অমান্যে বাম নেতৃত্ব হুঁশিয়ারি দেন, সরকার কার্যকরি পদক্ষেপ না নিলে লাগাতার আইন অমান্য করবেন তাঁরা। কলকাতার পাশাপাশি এদিন অন্যান্য জেলাতেও বিক্ষোভ কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করে গ্রেফতার বরণ করেন বাম নেতারা।
 
মূল্যবৃদ্ধি ইস্যুতে শুধু এরাজ্যেই নয় গোটা দেশজুড়ে রাস্তায় নেমেছে বামপন্থীরা। ৩০ জুলাই থেকে ৩ অগাস্ট পর্যন্ত চারটি বাম দলের ধরনা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
 







Post Your Comment

Total Comments:1

Movement of the former Chief Minister is more expected than he presently delivers. He is the Idol Of Development. Innumberable people of Bengal want him return in administration and move favouring Industrialisation which can make the state get rid of financial burden.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।