বামেদের স্মারকলিপি নিলেন না, পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ নগরপালের বিরুদ্ধে

বামেদের অভিযোগ, ৯ এপ্রিল থেকে লাগাতার তাদের দলীয় দফতর ও কর্মীদের ওপর শাসকদলের হামলা চলছে। এই হামলার কথা জানিয়ে তারা কলকাতার নগরপাল সুরজিত করপুরকায়স্থকে স্মারকলিপি দিতে চান। কিন্তু, নগরপাল সরাসরি সেই আবেদন প্রত্যাখ্যান করেন। আজ বিমান বসু বলেন, সুরজিত করপুরকায়স্থ জানিয়েছেন বামেদের স্মারকলিপি নিতে তিনি অপারগ।

Updated: Apr 19, 2013, 05:23 PM IST

বামেদের অভিযোগ, ৯ এপ্রিল থেকে লাগাতার তাদের দলীয় দফতর ও কর্মীদের ওপর শাসকদলের হামলা চলছে। এই হামলার কথা জানিয়ে তারা কলকাতার নগরপাল সুরজিত করপুরকায়স্থকে স্মারকলিপি দিতে চান। কিন্তু, নগরপাল সরাসরি সেই আবেদন প্রত্যাখ্যান করেন। আজ বিমান বসু বলেন, সুরজিত করপুরকায়স্থ জানিয়েছেন বামেদের স্মারকলিপি নিতে তিনি অপারগ।   
কলকাতার নগরপাল সুরজিত করপুরকায়স্থকে স্মারকলিপি দেওয়ার জন্য বামফ্রন্টের পক্ষ থেকে ফোন করেন প্রাক্তন মন্ত্রী অনাদি সাহু। কলকাতা জেলা বামফ্রন্টের পক্ষ থেকে পাঠানো বামেদের স্মারকলিপির বক্তব্য,
"নয়ই এপ্রিল রাত থেকে কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় বামেদের কার্যালয়ে শাসকদলের মদতে হামলা শুরু হয়েছে। নিগৃহীত হচ্ছেন বাম নেতা-কর্মীরাও। সর্বত্রই পুলিস নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। তাণ্ডব থামাতে পুলিস সক্রিয় ও নিরপেক্ষ ভূমিকা নিক।"
কিন্তু, নগরপাল বামেদের জানিয়েছেন, বামফ্রন্টের কোনও স্মারকলিপি তাঁর পক্ষে নেওয়া সম্ভব নয়।
আর কলকাতার নগরপালের এই ভূমিকায় সরব বামেরা।
কলকাতার নগরপালের এই ভূমিকায় স্তম্ভিত প্রাক্তন পুলিসকর্তা চয়ন মুখোপাধ্যায়।
শুধু প্রাক্তন নগরপালই নন, রাজ্য পুলিসের ডিজি নপরাজিত মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়েও তীব্র সমালোচনা হয়। কাটোয়ায় মহিলাকে ধর্ষণের পর মহাকরণে মুখ্যমন্ত্রীর পাশে দাঁড়িয়ে তাঁকে রাজনৈতিক সুরে কথা বলতে দেখা যায়।
তবে, একইসঙ্গে কলকাতা পুলিসে উল্লেখযোগ্য ব্যতিক্রমও রয়েছে। তিনি দময়ন্তী সেন। পার্ক স্ট্রিট ধর্ষণকাণ্ডে তিনি মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের সঙ্গে সহমত হননি। অভিযুক্তদের গ্রেফতার করেন। অবশ্য, কয়েকদিনের মধ্যেই তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়।