`আমি খুশি`, সুব্রতকে কটাক্ষ রাজ্যপালের

Update: January 11, 2013 23:30 IST

ফের রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন রাজ্যপাল এম কে নারায়ণন। তাঁকে নজরে রাখা হচ্ছে। তাই তিনি নিরাপদে আছেন, বলে আনন্দ প্রকাশ করেন রাজ্যপাল। এবং নিজেকে `ভাগ্যবান` বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

ভাঙড়ের ঘটনার পর রাজ্যে `গুন্ডাগিরি` চলছে বলে সমালোচনা করেছিলেন রাজ্যপাল। তাঁর এই মন্তব্যের পর গত কাল রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় বলেন, "রাজ্যপালকে নজরে রাখা হচ্ছে।" সেই প্রসঙ্গেই কলকাতায় আজ একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে ফের রাজ্য সরকারের ভূমিকাকে কটাক্ষ করলেন নারায়ণন।

প্রসঙ্গত রাজ্যপাল নিয়ে মন্তব্যের জেরে এদিন ডানা ছাঁটা পড়ে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের। সরকারের হয়ে বিবৃতি দিতে নিষেধ করা হল পঞ্চায়েতমন্ত্রী তথা তৃণমূলের শীর্ষ নেতা সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে। সুব্রতর করা মন্তব্যের জেরে যেভাবে সমালোচনা শুরু হয়েছে বিভিন্ন মহলে, তাতে বেশ খানিকটা কোন ঠাঁসা তৃণমূল কংগ্রেস। সেই কারণেই সুব্রত মুখার্জির ওপর দলীয় কোপ পড়ল বলে মনে করছে রাজনৈতিক শিবির।





Post Your Comment

Total Comments:4

The eternal joker of Bengal politics-the one and only `certified` double standard- `watermelon` Subrata, none other than by his now master Mamata herself is trying hard to keep his position (becoming closer chamcha in Mamata coterie, all spineless TMC ministers` only duty) intact by talking non sense about Governor of Bengal and exposed their worthlessness about the act of governance. They need Arabul and likes to run their Govt. therefore constitutional Head of state is being `warned`! Only reason behind it is their political existence is dependent of people like Arabul. So they can`t jeopardize their own existence! By the way, the coming seminar on possibility of industrialisation named ``Bengal Leads` is unfinished words. If you ask leads where, the answer is clear from last 20 months experience - BENGAL LEADS TO DESTRUCTION!

Rajjo pal thik-i to bolacha. ``gunda raj cholcha`` taba ar basi din na.

GOPAL GANDHIR BIBRITI NIYE KHUB HOICHOI KORECHILEN, DEKHUN AKHUN KEMON LAGE.

I agree with Honourable Governor. This state is now ruled by antisocials, rogues and knaves. Mamata Banerjee gives indulgence to them keeping the police aloof. She is surely with those miscreants.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।