দধীচি থেকে পদচ্যুত মহাশ্বেতা দেবী

Update: February 10, 2013 23:30 IST

মানবাধিকার সংগঠন দধীচি চেয়ারপার্সনের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল প্রবীণ সাহিত্যিক মহাশ্বেতা দেবীকে। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটভূমিকায় প্রবীণ সাহিত্যিকের দ্বৈত ভূমিকার জন্যই এই সিদ্ধান্ত।  জানানো হয়েছে দধীচি সংগঠনের তরফে। পরিবর্তন চাই স্লোগান তুলে তৃণমূলের সমর্থনে পথে নেমেছিলেন। হাজির ছিলেন দু হাজার এগারোর একুশে জুলাইয়ের মঞ্চেও। কিন্তু, তারপর বিভিন্ন ইস্যুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন মহাশ্বেতা দেবী। ফেব্রুয়ারির ৩ তারিখ বইমেলাতেও শোনা গেছিল অসন্তোষের সুর। শনিবার মাটি উত্সবে হঠাত সুর বদল। পানাগড়ে একমঞ্চে মমতা -মহাশ্বেতা দেবী। প্রবীন সাহিত্যিকের গলায় মুখ্যমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা। প্রবীণ সাহিত্যিকের আচমকা এই অবস্থান বদলেই ক্ষুদ্ধ মানবাধিকার সংগঠন দধীচি। দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনটির চেয়ারপার্সনের দায়িত্বে ছিলেন মহাশ্বেতা দেবী। রবিবার প্রবীণ সাহিত্যিককে পদ থেকে সরানোর কথা জানিয়ে  দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল রায় ।


   





Post Your Comment

Total Comments:11

CHABBIS GHANTA PERIAGELO AKHUNO KONO MOHASWATADEBIR KONO BIBRITI PAINI.

RA Rabin etao sikhli na je dheki sorge geleo dhan bhane ? There r people born to play in fevour of Imperialist and Capitalist block but sometime do some work for working class. ie. BHUPEN HAZARIKA faught election for communal blobk BJP.

RA Rabin etao sikhli na je dheki sorge geleo dhan bhane ? There r people born to play in fevour of Imperialist and Capitalirt block but sometime do some work for working class. ie. BHUPEN HAZARIKA faught election for communal blobk BJP.

She was very respected writer but she is ruining her courier

দধীচি আর উদীচীই হোক। আমার বিশ্বাস আপনি,ঋত্তিক ঘটক আর বিজন ভট্টাচার্য আমাদের মেহনতি মানুষের পাশে থাকবেন। আপনার দীর্ঘায়ু কামনা করি। প্রনাম রইল।

She is Ma Biplabi. In our country fame is the most indigestible thing. Every one can not be super model in every field. Let she contain herself in writing novels. We are missing her there these days. On the other hand she is becoming victim of political polarization as well. Once she supported Naxals vis-a vis TMC. Left front was not wrong on all fonts. Their last lap was even far better than TMC rule.

apod bidei hoeche...cpm tmc du dol e khushi...

EROKOM DICHARITA KORLE MANUSHER BISWAS HARABEN.

Valo hoyeche,dwicharitar jalanta udaharan uni

E dhoroner obanchhito choritroke sorie debar jonno obhinandan. Era khete khaoya manuser somajer SOTRU karon era moha bittosalider uchchhisto bhogi.

ONAR MOTO LAYKHIKA R B DICHARITA KORA WOCHIT NOI.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।