প্রার্থী হবেন একজনই, কর্মীদের কড়া বার্তা মমতার

Update: March 8, 2013 19:08 IST

পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রার্থী মনোনয়নে দলে প্রবল ক্ষোভ বিক্ষোভের আন্দাজ করে  দলীয় কর্মীদের  কড়া বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বললেন, "প্রার্থী হবেন একজনই।" দলে অসন্তোষ এড়াতে দলীয় কর্মীদের ঐক্যে ওপরও জোর দেন তিনি। 

আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূলই তৃণমূলকে মারবে বলে মন্তব্য করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা সূর্যকান্ত মিশ্র। এ দিন কার্যত তারই প্রতিক্রিয়া হিসাবে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দেন তাঁরা যে কোনও পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত।

পঞ্চায়েত নির্বাচনে লড়ার ক্ষেত্রে দলে ঐক্যের অভাবই  বড় বাঁধা হয়ে দাঁড়াবে। এবার তা স্বীকার করে নিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তাই এখন থেকে শৃঙ্খলার রাশ নিজের হাতে নিলেন। পরিস্কার জানিয়ে দিলেন, প্রার্থী হবেন একজনই। তাঁকে ঠিক করবে দল।

নির্বাচনের আগে প্রার্থী বাছাই নিয়ে তৃণমূলের অভ্যন্তরে অসন্তোষ নতুন কিছু নয়। লোকসভা, বিধানসভা নির্বাচনের আগে বারবার এই পরিস্থিতি সামাল দিতে হয়েছে দলীয় নেতৃত্বকে। এবার আর আগের ঘটনার পুনরাবৃত্তি চান না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
 
পঞ্চায়েত নির্বাচনে পঞ্চাশ শতাংশ আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত। তাই নির্বাচনের আগে নারী দিবসের অনুষ্ঠান মঞ্চকে পঞ্চায়েত ভোটের প্রস্তুতিতেই কাজে লাগালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Post Your Comment

Total Comments:3

PARTHI HOBEN EKJON AR TAKE THIK KORBEN DAL KATHATA TKTU PALTE NITE HOBE `` THIK KORBE MAMATA.``

MAMOTA HATAO BANGLA BACHAO...LAAL JHANDA CPI(M) KO BALAO BANGLA BACHAO

MAMOTA HATAO BANGLA BACHO

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।