মমতার আক্রমণের জবাব দিলেন না সমীর

Update: January 22, 2013 22:02 IST

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে প্রকাশ্যে আক্রমণ করলেও সমীর আইচ কিন্তু সেভাবে মুখ খুললেন না। বিশিষ্ট এই চিত্রশিল্পী শুধু বললেন, “উনি যে আমাকে শিল্পীর স্বীকৃতি দিয়েছেন এতেই খুশি।”

এবার রাজ্যের পরিবর্তনপন্থী বুদ্ধিজীবীদেরই একাংশকে আক্রমণের লক্ষ্য করলেন মু্খ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সরাসরি নাম করে তোপ দাগলেন শিল্পী সমীর আইচের দিকে। সাফ জানিয়েলেন, রাজ্যে পালাবদলের সময় পরিবর্তনপন্থীদের মিছিলে হাঁটলেও তৃণমূলের কেউ নন সমীর আইচ। একধাপ এগিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, সিপিআইএম শিখিয়ে দেওয়াতেই মিথ্যে বলছেন পরিবর্তনপন্থী ওই চিত্রশিল্পী।

বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের বিতর্কে তৃণমূল কংগ্রেস ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে এত দিন জোর গলায় সওয়াল করে এসেছেন তিনি। এ বার সেই শাসক দলেরই কোপে পড়লেন চিত্রশিল্পী সমীর আইচ। কড়েয়ার প্রতিবাদী তরুণের অপমৃত্যুর পরে রাজপথে মোমবাতি মিছিলে সামিল হয়েছিলেন সমীর। রাজ্য সরকারের সমালোচনা করে জানান, এ বার তাঁকেও পথে নামতে হল। সমীর বলেন, “রাজ্যে পুলিশের কোনও পরিবর্তন হয়নি। আমিনুল এক মাস ধরে কষ্ট পেলেও মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে প্রশাসনের কেউ বিষয়টি আমল দেননি।

Post Your Comment

Total Comments:3

Samir, tumi kaar?

Anther PARIVARTAN

sob tai sajano ghatona....

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।