মুখ্যমন্ত্রীর আদালত অবমাননা মামলার শুনানি শুক্রবার

Update: December 5, 2012 14:50 IST

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদালত অবমাননার মামলার শুনানির দিন ধার্য হয়েছে আগামী শুক্রবার। কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি প্রতাপ রায়ের ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানি হবে।  

বিধানসভার এক অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বিচার ব্যবস্থা ও বিচারপতিদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন। এই নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। হাইকোর্টের  তত্‍কালীন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি কল্যাণজ্যোতি সেনগুপ্তের ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানি চলে। বিভিন্ন সংবাদপত্র ও সংবাদ মাধ্যম তাদের নথিপত্র জমা করে। দু`জন বিশিষ্ট আইনজীবীকে আদালত বন্ধু (অ্যামিকাস ক্যুরি) হিসাবে মতামত দেওয়ার নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। তারাও তাদের মতামত জানান।

এই অবস্থায় বিচারপতি কল্যাণজ্যোতি সেনগুপ্ত বদলি হয়ে যাওয়ায় মামলার শুনানি স্থগিত হয়ে যায়। মঙ্গলবার বেচারাম মান্নার মামলার শুনানি চলার সময় ফের আদালতে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। তারই প্রেক্ষিতে  পরবর্তী কোন ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানি হবে আজ তা জানিয়ে দেয় আদালত। 

Post Your Comment

Total Comments:5

I am interested to know the current status of the Contempt of Court case against Minister Becharam Manna. Kindly send the latest status to my email.

Our C.M. is habituated to make such type of comment in any case because she has not yet learnt to bear the responsibility of failure. I have never seen a C.M to present a Secretary level Govt Officer as a shield in public meeting before the crowd as our C.M. did at Jangalmahal.

TRINIMULER KONO NETAR THEKE SUNBO BA JANBO ``MAMATA BANERJEE ADALOT ABOMANONA KOREN NI ADALOT MAMATA BANERJEEKE ABOMANON KORECHE.

mukhomontri to pagol.

Mukyho Mantri na MURKH MANTRI??

Amader C.M. to ekjan multi- talented personality. onar byapare r ki bolar ache bolun to.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।