সচিবকে সর্বসমক্ষে অপদস্থ মমতার, কটাক্ষে উষ্মা আমলাদের

Update: November 24, 2012 19:09 IST

নিজের দফতরের সচিবকে সর্বসমক্ষে অকারণে অপদস্থ করলেন মুখ্যমন্ত্রী। ঘটনাটি ঘটল হস্তশিল্প মেলার উদ্বোধনে। এমনকি, এদিন মুখ্যমন্ত্রী খলনায়ক বানাতে ছাড়লেন না সরকারি কর্মীদেরও। ক্ষমতায় এসেছেন দেড় বছর হয়ে গেল। কিন্তু, এখনও রাজ্য সরকারি কর্মীদের ওপর সম্পূর্ণ ভরসা করতে পারছেন না মুখ্যমন্ত্রী। ব্যর্থতার দায়ভার নিতেও নারাজ তিনি। উল্টে, ভিলেন বানাচ্ছেন সরকারি কর্মচারীদের।

শনিবার হস্তশিল্প মেলার উদ্বোধন করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উপস্থিত ছিলেন দফতরের সচিব অনুপ চন্দ। জনসমক্ষে মুখ্যমন্ত্রীর কটাক্ষের শিকার হলেন তিনি। পরে, ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টা করলেও তাঁর বক্তব্য নিয়ে ততক্ষণে কানাঘুষো শুরু হয়ে যায়। প্রকাশ্যে একজন সচিব পর্যায়ের আধিকারিককে অকারণে অপদস্থ করায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ঘনিষ্ঠ মহলে উষ্মা প্রকাশ করতে শুরু করেছেন রাজ্যের আমলারা।

Post Your Comment

Total Comments:8

Onar daler Proteke ak akta `Nirlajja` Protekei Mamata Begamji kono na kono bhabe `Apoman` korechen sadaroner samne. Tabuo Nirlajjer dolgulu Hnumaner moto lej naray onar kachey.

oner modha kona sangotthon kora monovab nai

UNOR SOKOLKAI TRINOMULER SODOSYO MONE KOREN,DOLER SODOSYODER JE BHABE KATHA BOLEN SAI EKI BABYOHAR SARKARI AMLADER KHETRE PROYOG KOREN. EKJON SAIRATANTRINETRIR KACHE ER THEKE BESI KICHU ASHA KORA JAINA.

amar motte ei asovvo mohila ekdike nari jatir kolonko onno dike mithachari,khamota lovi. a k diye ar jai hok rajjo chalano jai na.CHAGOL DIYE KI CHAS(caltivation) KORA JAI NA. E K grina kori.

Mamata Banerjee always proves herself as an inefficient, ignorant, rude, liar and power greedy Chief Minister.

It’s not shows a leadership mentality.

A bad workman always quarrels with his tools.

ইতরবিশেষ । ডিএ দিতে পারে না । অবৈধ বদলি করে । আন্দোলনের অধিকার কেড়ে নেয় । প্রতিবাদীকে জেলে পোরে ।ধিক্কার জানাই ।

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।