বন‍্ধ সফল না ব্যর্থ?গুলিয়ে ফেললেন মমতা

Update: September 20, 2012 18:04 IST

বন্‌ধের ইস্যু সমর্থন যোগ্য। বৃহস্পতিবার মহাকরণে দাঁড়িয়ে এমনই মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। একদিকে সারা দেশে বিজেপির ডাকা বন্‌ধে যোগদান করার জন্য দেশের মানুষকে অভিনন্দন জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। অন্যদিকে রাজ্যে একই বিষয়ে বামেদের ডাকা ধর্মঘটে `অংশগ্রহন না` করার জন্য রাজ্যের মানুষকে শুভেচ্ছা জানালেন তিনি! যদিও ইস্যু সমর্থন করলেও তাঁর সরকার বন্‌ধকে সমর্থন করে না বলেও এদিন সাফ জানান তৃণমূল সুপ্রিমো। `` ইচ্ছা করলে ফোর্সফুলি বন্‌ধ তুলে দিতে পারতাম। কিন্তু আমরা গনতন্ত্রে বিশ্বাস করি। তাই জোর করে কিছু করতে চাইনি"- সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন তৃণমূল নেত্রী।

মহাকরণে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন তাঁর কাছে আসা খবর অনুযায়ী বিকেল ৩টে পর্যন্ত সরকারি দফতর গুলিতে উপস্থিতির হার ছিল ৮৮ থেকে ৮৯ শতাংশ। যা অনান্য স্বাভাবিক দিনের থেকেও নাকি বেশি! রাজ্যে কর্ম সংস্কৃতির যে `জোয়ার` এসেছে তা কোনভাবেই নষ্ট হতে দেবেন না বলেও জানিয়ে দেন তৃণমূল নেত্রী। পরিবহন ব্যবস্থাকে `এমার্জেন্সী সার্ভিস` বলে উল্লেখ করে তিনি জানিয়েছেন বন্‌ধের দিনে আর ইচ্ছামতো যানবাহন বন্ধ করে রাখা চলবে না। এই বিষয়ে রাজ্য সরকার শীঘ্রই কঠোর আইন আনতে চলেছে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। যখন তখন যানবাহন বন্ধ করে রাখলে লাইসেন্স বাতিল পর্যন্ত করা হতে পারে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে এইদিনও `তোপ বর্ষণ` জারি রাখলেন মমতা। স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিলেন কোন ভাবেই এফডিআই এ দেশে আসতে দেবেন না। রান্নার গ্যাসে ভর্তুকি তুলে নেওয়া আর ডিজেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে আবারও চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।





Post Your Comment

Total Comments:4

কখন কি বলেন উনি নিজে জানেন না এইদিকে বলছেন বন্ধ সমর্থন করছেন না আবার জনগনকে ধন্য বাদ জানাচ্ছেন কি বলতে চাইছেন বা কি বোঝাতে চাইছেন জনগণ ও বুজ্দে পারছে না .উনি বললেন ক্ষমতা দিয়ে বন্দ উঠিয়ে দিতে পারতেন .কিন্তু করলেন না কেন ?দেখা যেত কার ক্ষমতা কত টুকু .উনি ক্ষমতা দেখাবেন .আর জনগণ ক্ষমতা ব্যবহার করবেন .এতে তফাত .উনার মনে থাকা উচিত গত নির্বাচনে বামেদের কথা .চাবি কিন্তু উনার হাতে নয় .চাবি জনগনের হাতে .

DD= Dwicharitar Devi ( দিদি = দ্বিচারিতার দেবী ) ...... দিদির চরনে কোটি কোটি কাঁটা ় ় ় ়

Sposto kothai khobor poribeson korar jonno bhalo lage apnader.

This is scientific theory of our chief minister. P.K.CHAKRABORTY. DURGAPUR

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।